ঢাকা   বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

লাইসেন্স করতে হবে সড়কের পাশে পিঠা, পুরি, ঝালমুড়ি ও পেঁয়াজুর মতো খাবার বিক্রির দোকানকেও

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম

লাইসেন্স করতে হবে সড়কের পাশে পিঠা, পুরি, ঝালমুড়ি ও পেঁয়াজুর মতো খাবার বিক্রির দোকানকেও

লাইসেন্স করতে হবে সড়কের পাশে পিঠা, পুরি, ঝালমুড়ি ও পেঁয়াজুর মতো খাবার বিক্রির দোকানকেও

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : সড়কের পাশে পিঠা, পুরি, ঝালমুড়ি ও পেঁয়াজুর মতো খাবার বিক্রির দোকানকেও নিবন্ধনের আওতায় আনছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক হচ্ছে। এ নিয়মের আওতায় পড়বে ছোট খাবারের দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানও।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ কার্যকর করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। গত ১৬ জুলাই প্রবিধানমালাটি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়। এতে নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার জন্য নিবন্ধন এবং চার শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে লাইসেন্স গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ ও ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন নিতে হবে। এ ছাড়া প্যাকেটজাত বা মোড়কজাত খাবার উৎপাদনকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী এবং কাঁচা ও তাজা খাবার ছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের আমদানিকারকদেরও নিবন্ধন করতে হবে।

পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার, কোল্ড স্টোরেজ, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনসহ নির্ধারিত বিভিন্ন খাদ্য ব্যবসাও এ নিয়মের আওতায় থাকবে। বিশেষ খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, জৈব খাদ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি, রপ্তানি ও বিপণনের নির্ধারিত কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও নিবন্ধন বা লাইসেন্স নিতে হবে।

শিশুদের ফর্মুলা দুধ এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের বাধ্যবাধকতা থাকবে। স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য এবং প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্যের মতো পণ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী লাইসেন্স নিতে হবে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রবিধানমালার তফসিল-১০ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি পরিশোধ ও শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য ফরম ৫.১ এবং লাইসেন্সের জন্য নির্ধারিত ফরম ৬.১, ৭.১, ৮.১ ও ৯.১ ব্যবহার করতে হবে।

নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রচলিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হবে। বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রিমিসেস লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করা হবে প্রতিষ্ঠানের আয়তনের ভিত্তিতে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য ফি ১০ হাজার টাকা। আর ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্সের জন্য ফি ৬০ হাজার টাকা।

নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। এরপর তা নবায়ন করতে হবে। প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএ নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এতে ভোক্তারা পণ্য দেখে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন করা যাবে। পর্যায়ক্রমে শতভাগ অনলাইন আবেদন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

নতুন নিয়মে আরও বলা হয়েছে, নিবন্ধন বা লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হওয়া সত্ত্বেও তা ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন