বিগত ১৭ বছরে লেজুরবৃত্তি করে সাংবাদিকতাকে জাদুঘরে পাঠানো হয়েছে। আগামীতে দেশের প্রত্যেকটা প্রেস ক্লাব কে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আওতায় নিয়ে আসা হবে। শুরুর দিকে বিভাগীয় প্রেস ক্লাব এরপরে জেলা ও উপজেলা প্রেস ক্লাব গুলোকে এক ছাতার নিচে নিয়ে এসে সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন করা হবে বলে মন্তব্য করে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইউব ভূঁইয়া।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় ঝটিকা সফরে টেকনাফ প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা পরবর্তি আলোচনা সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, টেকনাফের বিতর্কিত সাবেক সাংসদ আব্দুর রহমান বদি ও মাদক সমস্যার কারনে টেকনাফ যেমন দেশ ব্যাপী পরিচিত, ঠিক তেমনি ভাবে ভৌগলিক, রোহিঙ্গা সমস্যা ও মানবপাচারের কারনে অন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের বদৌলতে টেকনাফ বিশ্ব ব্যাপী পরিচিত।
তিনি বলেন, টেকনাফ শুধু সীমান্ত জনপদ নয় এটি একটি উপকূলীয় অঞ্চল। এমন মফস্বল এলাকায় সাংবাদিকতা করা মারাত্বক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। ঢাকায় কোন সাংবাদিক আক্রান্ত হলে চিকিৎসা ও আইনশৃংখলা বাহিনীর সহযোগীতা পেতে সময় লাগে ২০ মিনিট। কিন্তু মফস্বল এলাকায় এসব সুবিধা পেতে ব্যাপক সময় লাগে। ফলে মফস্বল এলাকায় সাংবাদিকদের মৃত্যুর হার বেশী। তাই মফস্বল সাংবাদিকিতার রুল মডেল মোনাজাত উদ্দীনের মতো করে কাজ করে পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।
সাংবাদিক আশেক উল্লাহ ফারুকীর কোরান তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে টেকনাফ প্রেস ক্লাবের যুগ্ন আহবায়ক মৌলভী সাইফির সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের আহবায়ক আবুল কালাম। বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল করিম রাসেল, গিয়াস উদ্দীন ভূলু, আমান উল্লাহ ও নাসির প্রমূখ।
প্রধান অথিতি আরো বলেন, মফস্বল এলাকায় যেহেতু কাজের ঝুকি বেশী তাই আপনারা যে কোন প্রশাসনিক সমস্যায় সরাসরি আমাকে জানাবেন। আমি পূর্ণ সহযোহীতা করবো। এছাড়া পিআইবি এর মাধ্যমে টেকনাফের সকল সাংবাদিকদের প্রশিক্ষনের আশ্বাস দেন।
বার্তাবাজার/এমএইচ





