বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, মসজিদ মন্দিরে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়া চলবে না। মসজিদ হচ্ছে ইবাদতের জায়গা। এখন কে কোন দল করে সেটা তার ব্যাপার। কিন্তু একটি ইসলামী বিশেষ রাজনৈতিক দলের বক্তব্য যেন বয়ানে না হয় সেই দিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের দেশের মানুষগুলো ধর্মপ্রাণ। তাই তাদেরকে সহজে বিভ্রান্ত করা খুব সহজ। আমাদের দেশের মানুষগুলো আলেম ওলামাদের খুব বিশ্বাস করে। তাই কিছু লেখাপড়াা না জানা মানুষগুলো তাদের কথায় বিশ্বাস করে বিভ্রান্ত হতে পারে।
গতকাল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগরে আগানগর ইউনিযন বিএনপির উদ্যোগে এক জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের লোকজন বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করে তাদের মার্কায় ভোট চাচ্ছেন। তাদের দলের কিছু মহিলারা বোরকা পরে ছোট একটি কোরআন শরীফ নিয়ে বাড়ি বাড়ি ডসয়ে মহিলাদের কোরআন শরীফে হাত দিয়ে তাদের মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য শপথ পড়াচ্ছেন কসম করাচ্ছেন। কিন্তু তাদের এই কাজগুলো গুনা। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া হাসিনার দ্বারা দীর্ঘ ১৬ বছর নির্যাতিত হয়েছে। এই পৃথিবীতেই আল্লাহ তার বিচার করে দেখিয়ে দিল। দেশের জনগণ তার একটি ফাঁসির রায় দেখল। তার আরো ফাঁসির রায় দেখা যাবে সামনে। তার যতগুলো মামলা রয়েছে তাতে দুই চার বছর করে জেল হলেও সব মামলায় তার ৪০০ বছর জেল হবে। আল্লাহর ইশারায় এক পলকেও তার সবশেষ। আধাঘণ্টা আগেও সে জানতো না যে তাকে পালাতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন ভোটের জন্য আন্দোলন করেছি। এই ভোটের অধিকার প্রয়োগ করার জন্য আগামী নির্বাচনে সবাইকে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।
আগানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আসাদুর রহমান সফুর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু, অর্থসম্পাদক ইকবাল হোসেন কালু, ফয়জুল ইসলাম ফজল, মো. সাইদ, আগানগর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আমান উল্লাহ আমান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ খান, বিএনপি নেতা ইমান উররাহ মাস্তান, হাজী মো. শহিদুল, আগানগর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আরমান উল্লাহ ডাবলুসহ অন্যান্যরা।
বার্তাবাজার/এমএইচ





