ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে যুগপৎ জোট ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জোনায়েদ সাকি নির্বাচনে সহিংসতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ শঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আন্দোলনে অনেকেই রক্ত দিয়েছেন, আত্মত্যাগ করেছেন। ২৪-এর জুলাইয়ে বাঞ্ছারামপুরে চানজন আত্মদান করেছে, সেই ত্যাগের দায়বদ্ধতা থেকেই জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই অব্যাহত রয়েছে।’
সুষ্ঠু নির্বাচনের অঙ্গীকার তিনি বলেন, ‘আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। যেখানে জনগণ যাদের ভোট দেবেন। সে ক্ষমতায় বসবে।
পেছনের দরজা দিয়ে নয়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় যেতে চাই। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, সেই বিজয়ী হবে। এটি আমরা বিশ্বাস করি এবং এটি স্বাভাবিকভাবেই মেনে নেব।’
তিনি দাবি করেন, ‘বিএনপি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে নেতাকর্মীদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছে এবং ভোটারদের সচেতন করেছে। তার জবাব জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে দেবে।’
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং জোনায়েদ সাকি অভিযোগ করে বলেন, ‘সারা দেশের মতো বাঞ্ছারামপুরেও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।’
তার দাবি, কিছু মহল পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষ থেকে কেন্দ্র দখলের প্রস্তুতির কথাও শোনা যাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি দল তার নেতাকর্মীদের ভোটকেন্দ্রে বাঁশের লাঠি নিয়ে আসার আহ্বান, লাঠি মজুদ রাখা এবং উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে, যা নির্বাচনকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ভিপি এ কে এম মূসা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মম ইলিয়াস, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালে মূসাসহ উপজেলা বিএনপি এবং কেন্দ্রীয় গণসংহতি আন্দোলন ও উপজেলা গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ





