ঢাকা   রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

রাজবাড়ীর দুই আসনে ১৩ জনের মধ্যে জামানত হারালেন ৯ প্রার্থী

Authorনিউজ রুম

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৭ এএম

রাজবাড়ীর দুই আসনে ১৩ জনের মধ্যে জামানত হারালেন ৯ প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী জেলার দুইটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনই জামানত হারিয়েছেন। মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হয়। অন্যথায় মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জামানত হিসেবে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হয়।

রাজবাড়ী-১: দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ এক হাজার ৯২ ভোট।

এ ছাড়া জাকের পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস গোলাপ ফুল প্রতীকে আট হাজার ৮৭ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু লাঙ্গল প্রতীকে দুই হাজার ৫৮৬ ভোট পেয়েছেন।

এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন চার লাখ ৩০ হাজার ২১৫ জন। প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা দুই লাখ ৭১ হাজার ৯০২। সে অনুযায়ী আট ভাগের এক ভাগ ভোট দাঁড়ায় ৩৩ হাজার ৯৮৮। এই নির্ধারিত ভোটসংখ্যার কম পাওয়ায় জাকের পার্টি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু টানা তৃতীয়বারের মতো জামানত হারালেন।

রাজবাড়ী-২: জামানত হারালেন সাত প্রার্থী

রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুন-অর-রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে দুই লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির জামিল হিজাযী শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট।

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা পাঁচ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ জন। প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা তিন লাখ ৬৩ হাজার ১৯৪। আট ভাগের এক ভাগ ভোটের হিসাব দাঁড়ায় ৪৫ হাজার ৪০০। নির্ধারিত এই সংখ্যার কম ভোট পাওয়ায় সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসিরুল হক সাবু (কলস) পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৩৩৮ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মালেক (হাত পাখা) আট হাজার ৫০৩ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. শফিউল আজম খান (লাঙ্গল) দুই হাজার ৫২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল মোল্লা (ফুটবল) এক হাজার ২১৯ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জাহিদ শেখ (ট্রাক) ৬৩৩ ভোট, খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী কাজী মিনহাজুল আলম (দেয়াল ঘড়ি) ৩২১ ভোট এবং সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মালেক মন্ডল (ছড়ি) ২৬৬ ভোট পেয়েছেন। এদের মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. শফিউল আজম খান দ্বিতীয়বারের মতো জামানত হারালেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেক মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন জানান, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয় এবং সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!