জামায়াতে ইসলামীর নেতারা ৬৫ থেকে ১০০টি গরু কোরবানি দিলেও তাদের অর্থের উৎস নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা বলে ব্যঙ্গ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
শনিবার (৩০ মে) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ নিয়ে লিখেছেন রাশেদ খাঁন।
রাশেদ খাঁন লেখেন, জামায়াত এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল ৬৫টি গরু কোরবানি করেছে। নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বেলায়েত হেসেন ১০০টি গরু কোরবানি দিয়েছে। কিন্তু অর্থের উৎস নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু বিএনপি সরকারের মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ৬টি গরু কোরবানি দিয়েছে। এ নিয়ে তো রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে অর্থের উৎস জানতে চাওয়া হয়েছে!
রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, সর্বত্র বিএনপি ও জামায়াত-এনসিপি জোটের খরচের তারতম্য প্রায় এরকমই। নির্বাচনেও খরচের পার্থক্যও প্রায় এমন ছিলো। জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা! তাই এই হালাল টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুললে জাহান্নামে যেতে হবে, এই ভয়ে বিপ্লবীরা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে!
গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন। পরে তিনি ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। ওই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবু তালিব। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।
বার্তা বাজার/এস এইচ






