ঢাকা   শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

‘প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির কারণে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর ক্ষতিগ্রস্ত, দ্রুত সংস্কার করা হবে’

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম

‘প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির কারণে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর ক্ষতিগ্রস্ত, দ্রুত সংস্কার করা হবে’

প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির কারণে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দীর্ঘদিন অবহেলা ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সংলগ্ন জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘জাদুঘরের বেশ কয়েকটি কক্ষ খালি রয়েছে। কারণ, বর্তমানে সংস্কারকাজ চলছে। সংস্কার শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন সামগ্রী যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।’

জাদুঘরের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, ভূমিকম্পের প্রভাবে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করে এটি পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এরপর জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে যাব, যেটির নাম পরিবর্তন করে ফ্যাসিবাদী আমলে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা হয়েছিল। এটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি ঈর্ষা ও প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে ধারণ করে ২০০৬ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের পাশে ১৬ দশমিক ৩৭ একর জমির ওপর “জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স” নির্মাণ করা হয়। ভবিষ্যতে কমপ্লেক্সটির নাম পুনরায় ‘জিয়া মেমোরিয়াল কমপ্লেক্স’ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

আহমেদ আযম খান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চিত্র পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁর স্মৃতিকে সংরক্ষণে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।’

এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ‘জিয়া স্মৃতি জাদুঘর এবং জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স—উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন। আগামী প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানাতে এসব স্থাপনা সংরক্ষণ ও পরিচর্যা করা প্রয়োজন।’

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!