জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, চট্টগ্রাম যেদিকে যাবে, বাংলাদেশ সেদিকে যাবে। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সমাবেশে এ কথা বলেন।
বক্তব্যে চট্টগ্রাম থেকে নতুন রাজনৈতিক আন্দোলনের ডাক বা ‘রিভোল্ট’ ঘোষণা দেন নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে বিরোধী মতের মানুষ নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। শেখ হাসিনা ভারতীয় বয়ানে রাজনীতি করেছিলেন, এ সরকারের গোলামির জিঞ্জিরও ভারতের হাতে।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে এনসিপির এ নেতা বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে হতে হবে। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ, নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত এবং বাণিজ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার দাবি জানাই। সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে অভিন্ন স্বার্থের সম্পর্ক গড়ে তোলা কঠিন হবে।
নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী দাবি করেন, জনগণের আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের শাসনের অবসান ঘটেছে। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারতীয় প্রভাবের সমালোচনা করেন।
ঐতিহাসিক লালদিঘী মাঠ-এ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘবসহ বিভিন্ন দাবিতে চট্টগ্রামে বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য জোট। সমাবেশে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি চট্টগ্রাম থেকে নতুন রাজনৈতিক আন্দোলনের ডাক বা ‘রিভোল্ট’ ঘোষণার কথাও উল্লেখ করেন।
সর্বশেষ নির্বাচন প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী অভিযোগ বলেন, ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে দিল্লির সঙ্গে আঁতাত করেছে।
জাতীয় বাজেটের সমালোচনা করে এনসিপি মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন নেই। বিএনপি ডাবল ডিজিটাল দুর্নীতি করার জন্য এ বাজেট চাপিয়ে দিয়েছেন। এ বাজেট দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিকে উৎসাহিত করতে পারে।






