ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচন হবে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে নাকি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি আদালতের নির্দেশনার ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার আপিল বিভাগ বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে করা আপিল মঞ্জুর করে রায় দেওয়ার পর আসনটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ীই কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।
তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমরাও গণমাধ্যমে দেখেছি। আমরা মহামান্য আদালতের আদেশ অনুযায়ী কাজ করব। আদালত যদি পুনরায় নির্বাচনের নির্দেশ দেন, তাহলে নির্বাচন করা হবে। আর যদি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে নির্বাচিত ঘোষণা করার নির্দেশনা দেন, তাহলে আমরা সেটিই বাস্তবায়ন করব। সবকিছুই নির্ভর করছে মহামান্য আদালতের নির্দেশনার ওপর।’
আবার নির্বাচন হলে আসলাম চৌধুরী আবারও প্রার্থী হতে পারবেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘যদি পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে নতুন নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার আইনগত অবস্থান বিবেচনা করা হবে। ওই সময় তিনি যদি ঋণখেলাপি না থাকেন এবং আইন অনুযায়ী যোগ্য হন, তাহলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।’
এর আগে, আপিল বিভাগের রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলও বলেন, ‘কোনো ব্যক্তির একটি নির্দিষ্ট সময়ের অযোগ্যতা চিরস্থায়ী নয়। পরবর্তী সময়ে সেই অযোগ্যতা কেটে গেলে তিনি আইনগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।’
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারি হিসাবে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরী। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী। তবে আদালতের নির্দেশে ওই আসনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত ছিল। এখন পূর্ণাঙ্গ রায় এবং আদালতের পরবর্তী নির্দেশনার ওপরই নির্ভর করছে আসনটির চূড়ান্ত পরিণতি।






