ঢাকা   রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

কারাগারে আ. লীগ নেতার মৃত্যু, মরদেহে হাতকড়া পরানো ছিল অভিযোগ স্বজনের

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:০৯ পিএম

কারাগারে আ. লীগ নেতার মৃত্যু, মরদেহে হাতকড়া পরানো ছিল অভিযোগ স্বজনের

গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় কারাগারে আবু বক্কর সিদ্দিক (৭০) নামে এক সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের স্বজন অভিযোগ করে বলেন, মৃত্যুর পর তাকে হাতকড়া পরানো অবস্থাতেই ময়নাতদন্ত ঘরে ফেলে রাখা হয়েছিল।

রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় কারাগার থেকে গাইবান্ধা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, মারা যাওয়া কয়েদি আবু বক্কর সিদ্দিকের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। এছাড়া পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।

আবু বক্কর সিদ্দিকের ভাতিজা সিফাত অভিযোগ করে বলেন, গতকাল রাতে তিনি অসুস্থ হলেও তার মৃত্যুর খবর আমরা জানতে পারি আজ সকাল দশটার দিকে। এই দীর্ঘ সময়েও কারা কর্তৃপক্ষ থেকে তার অসুস্থতা এবং মৃত্যুর বিষয়টি আমাদের জানানো হয়নি গতকাল রাতেই যদি তার অসুস্থতার বিষয়টি আমাদেরকে জানানো হতো, তাহলে হয়তো আমরা উন্নত চিকিৎসা করে তাকে বাঁচাতে পারতাম।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা হাসপাতালে গিয়ে দেখি, তাকে হাতকড়া পরানো অবস্থাতেই ময়নাতদন্ত ঘরে ফেলে রাখা হয়েছে।

সিফাত বলেন, দীর্ঘদিন থেকে চাচা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগে ভুগছিলেন। আজ থেকে দু’দিন আগেও তাকে ওষুধ কিনে দিয়ে এসেছিলাম। তিনি গত ১৫ বছর থেকে অসুস্থতার কারণে রাজনীতি ও ব্যবসায়ীক কর্মকাণ্ড থেকে সম্পূর্ণ বিরত ছিলেন। তবুও তাকে গোবিন্দগঞ্জে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর ও হামলা মামলার আসামি করে গত ১ সেপ্টেম্বর পুলিশ তাকে আটক করে কারাগারে পাঠান।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা সুপার আনোয়ার হোসেন জানান, নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা কারাগারে আসেন। তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে হৃদরোগসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। কারাগারে অবস্থানকালে নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ গ্রহণ করতেন তিনি। সোমবার রাতে কারাগারের ভেতরে হঠাৎ অসুস্থতা বেড়ে গেলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আমাদের কাছে দেওয়া মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ কারণে রাতে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সকালে তার এলাকার এক ব্যক্তির নম্বর সংগ্রহ করে মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন