ঢাকা   রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ক্যামব্রিয়ান কলেজছাত্রকে গলা কেটে হত্যা, লাশ উদ্ধার

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০২৫, ০২:১৫ এএম

ক্যামব্রিয়ান কলেজছাত্রকে গলা কেটে হত্যা, লাশ উদ্ধার

রাজধানীর বারিধারা থেকে ক্যামব্রিয়ান কলেজের অপহৃত শিক্ষার্থী সুদীপ্ত রায়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকালে মিরপুরের শাহ আলী থানাধীন দিয়াবাড়ী এলাকার তুরাগ সিটিতে নির্মাণাধীন দশতলা একতা টাওয়ারের তিনতলার একটি ফ্ল্যাটের সাবলেটের কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ বলছে, সুদীপ্তের হাত-পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। বারিধারায় ক্যামব্রিয়ান কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল সুদীপ্ত। ভাটারা থানাধীন শহীদ আব্দুল আজিজ সড়কে ক্যামব্রিয়ান কলেজের হোস্টেলে থাকতেন তিনি ।

গত শুক্রবার বিকালে অপহরণের ঘটনার পর শনিবার সুদীপ্তের বাবা হিমাংশু কুমার রায় বাদী হয়ে ভাটারা থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসমত আলী জানান, অপহরণের ঘটনায় পুলিশ আব্দুল্লাহ (২২) ও জুবায়ের দেওয়ান (২২) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। তারা ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পাস করে ঢাকায় চাকরির জন্য এসেছিলেন। আব্দুল্লাহর বাড়ির ঠাকুরগাঁওয়ে। সুদীপ্ত রায়ের বাড়িও ঠাকুরগাঁওয়ে।

আব্দুল্লাহ আগে সনাতন ধর্মাবলম্বী ছিলেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নাম হয় আব্দুল্লাহ। আগে থেকেই সুদীপ্তের সাথে আব্দুল্লাহর পরিচয় ছিল। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে শুক্রবার বিকালে ফোনে সুদীপ্ত রায়কে ডেকে নেয় দিয়াবাড়ীর একতা ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাটের সাবলেটে।

এসআই হাসমত আরো বলেন, অপহরণের পর শুক্রবার রাতে ওই শিক্ষার্থীর মায়ের কাছে ফোন করে ৮০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এর পরদিন তার বাবা ভাটারা থানায় মামলা করেন। মামলা তদন্ত করতে গিয়ে সুদীপ্তের মোবাইল ফোনের কললিস্ট যাচাই বাছাই করা হয়। কললিস্টের সূত্র ধরে আব্দুল্লাহ ও জুনায়েদকে শনাক্ত করা হয়। মঙ্গলবার সকালে ময়মনসিংহে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকের পর তারা জানায়, ঘটনার দিন শুক্রবার সন্ধ্যার আগেই তাদের সাবলেটের কক্ষে সুদীপ্তকে ডেকে আনা হয়। এরপর তাকে কক্ষের মধ্যে কৌশলে হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। মুখে কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে বাঁধা হয়। একপর্যায়ে তাকে বাথরুমে আটকে রাখা হয়। পরে সুদীপ্তের মোবাইল ফোন থেকে তার মায়ের কাছে ৮০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরদিন তাদের সন্দেহ হয় সুদীপ্তের মা-বাবা পুলিশের কাছে গেলে সব ফাঁস হয়ে যাবে। এই আশঙ্কায় শনিবার দুপুরের আগে সুদীপ্তকে বাথরুমে গলা কেটে হত্যা নিশ্চিত করে তারা পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে সুদীপ্তের মামা সাংবাদিক অনিল সেন বলেন, পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার সাথে একতা টাওয়ারের ভাড়াটিয়া জেসমিন খানম জড়িত। কারণ হত্যার পর সাবলেটের কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে জেসমিন পুলিশকে ইনফর্ম করেননি। পুলিশ ময়মনসিংহ থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করার পর লাশের সন্ধান পায়।

তিনি জেসমিন খানমকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন