আমার কপাল খুব বেশী ভালো না,আমার কপাল কিন্তুুু মাটি পুইড়া উঠে। সেটা বুঝার চেষ্টা করবেন আপনারা।আমার কপাল কিন্তুু খুব ভালো নিয়া জন্মগ্রহণ করি নাই। তার পরে ও মনে করি আমি গরীব মানুষের সন্তান আমার কথা গুলো কিন্তু সারা দুনিয়া শুনবে যেখানে বাঙ্গালী আছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় বিভিন্ন দপ্তরর সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অংশগ্রহণ করেন।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য এসব কথা বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের।
ফজলুর রহমান বলেন, ভাটি এলাকায় দুইটি সম্পদ পানি এবং নদী।পানির মধ্যে মাছ জমির মধ্যে ধান।এ দুইটি সম্পদ যার আছে পৃথিবীতে তার চাইতে ধনী মানুষ আর কেউ নাই।কিন্তু আমরা পানিকে কাজে লাগাতে পারছি না।পানি আস্তে আস্তে শুকিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে কি করা যায় সেটা নিয়ে প্রশাসন আমাকে সাহায্য করবেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসাবে বিজয়ী হওয়ার পর নিজের নির্বাচনি এলাকায় উন্নয়ন ও তদারকি কার্যক্রমে অংশ হিসাবে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। তিনি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের উদ্দেশ্য বলেন,আপনারা অনেক মহান মানুষ যদি আমি চাকরি করতাম হয়তো ইটনায় চাকুরি করতে আসতাম না। মিনিমাম যেখানে গাড়ির যোগাযোগ আছে সেখানে থাকতে চাইতাম।
তিনি বলেন, আপনারা যদি দয়া করে আমাকে আপনাদের মেধা দিয়ে, আপনাদের বিবেচনা বুদ্ধি দিয়ে, আপনাদের কর্ম দক্ষতা দিয়ে যদি সহযোগিতা করেন।সবাই মিলে যদি চেষ্টা করতে পারি তাহলে এ এলাকাটি উন্নতি করতে করতে পারবো।
তিনি আরো বলেন, এলাকায় মদ,গাঁজা,হিরোইন, ইয়াবা এসব মাদকদের বিরুদ্ধে আপনারা জিরো টলারেন্স দেখাবেন। কে করলো সেটা বড় কথা না?চুরি-চামারি, বদমাইশ এসব ব্যাপারে জিরো টলারেন্স দেখাবেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসূ সদস্যের সহ সধর্মিণী অ্যাডভোকেট উম্ম কুলসুম রেখা।
এছাড়া সভায় আরল উপস্থিত ছিলেন ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ঠাকুর (স্বপন),সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মনির হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম জুয়েলসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী বন্দ।
বার্তা বাজার/এস এইচ





