ঢাকা   রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কিশোরীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১১:৫১ এএম

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কিশোরীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

বরিশালে বাবুগঞ্জ উপজেলায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক কিশোরীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরের বিরুদ্ধে।

নিহত রাইসা আক্তার দিনমজুর নজরুল হাওলাদারের মেয়ে। অভিযুক্ত কিশোরও একই এলাকার।

রাইসার বাবা নজরুল হাওলাদার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, রবিবার (১৫ মার্চ) রাইসা বাড়ির বাইরে যায়। সেখানে যাওয়ার পর অভিযুক্ত ছেলেটি তার মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় অথবা কুপ্রস্তাব দেয়। বিষয়টি তিনি গ্রামবাসীর কাছ থেকে জানতে পেরেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর এক পর্যায়ে মেয়ের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, এ সময় রাইসা চিৎকার দিলে এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভান। ঘটনাস্থলে থাকা তসলিম জানিয়েছেন, ওই ছেলে আগুন দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

রাইসার বাবার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত ছেলেটি তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। কিন্তু মেয়ে তা বাড়িতে জানায়নি। বিষয়গুলো ঘটনার পর গ্রামবাসীর কাছ থেকে জানতে পেরেছেন।

তিনি আরও বলেন, আগুনে দগ্ধ রাইসাকে ওই দিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক ঢাকায় নেওয়ার জন্য বলেন। ১৫ মার্চ রাতেই তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করা তসলিম জানান, যে স্থানে বসে আগুন দেওয়া হয় সেখানেই তিনি অবস্থান করছিলেন। তিনি লক্ষ্য করেন, রাইসা ও অভিযুক্ত ছেলেটির মধ্যে ঝগড়া চলছে। এর এক পর্যায় মেয়েটি চিৎকার করলে আগুন দেখতে পান। তিনি দ্রুত চিৎকার দিয়ে আগুন নেভাতে যান। এ সময় দৌড়ে ওই ছেলেকে সটকে পড়তে দেখেন। তিনি নিশ্চিত ঘটনাটি ওই ছেলেই ঘটিয়েছে।

অভিযুক্তের বাবা সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেন, ঘটনার সময় তার ছেলে নদীতে গোসল করতে গিয়েছিল। কে বা কারা রাইসার শরীরে আগুন দিয়েছে, ঘটনার দায়ভার চাপানো হচ্ছে তার ছেলের ওপর। তিনি বিষয়টিকে ডাহা মিথ্যা বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ এহতেশামুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, একাধিক গণমাধ্যমকর্মীদের মোবাইলে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন। সেখান থেকে ঘটনার সত্যতা জানতে পারেন। এ বিষয়ে সোমবার পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি। তবে মঙ্গলবার রাইসার বাবা বাদী হয়ে মামলা করার কথা রয়েছে। অভিযুক্তকে আটকে পুলিশ কাজ করছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন