চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মোহাম্মদ আলী নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নবী করিম (স.)–কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকাল ৫টায় কালা বিবি দিঘির মোড়ে তানজীমে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত আনোয়ারা উপজেলা শাখা ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আনোয়ারা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
তানজীমে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত আনোয়ারা উপজেলা শাখার সভাপতি ও পটিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা কাজী আখতার হোসাইন আনোয়ারীর সভাপতিত্বে এবং মাওলানা আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাওলানা তৈয়ব হালিম, মাওলানা হাবিবুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা আবদুল হান্নান, মাওলানা রেজাউল করিম, মাওলানা ছলিম উদ্দিন মাহদী, মাওলানা ইয়াকুব আবদুল্লাহ, মাওলানা এখলাছুর রহমান, মাওলানা আমির হোসেন, মাওলানা তৈয়ব, মাওলানা নুরুল আবছার, মাওলানা মিজানুর রহমানসহ আরও অনেকে।
এর আগে আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলী নামে এক ব্যক্তি ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানীর একটি পোস্টে নবী করিম (স.)-কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
পরে বিষয়টি কেন্দ্র করে হেফাজতে ইসলাম আনোয়ারা উপজেলা শাখা বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়।
পরবর্তীতে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী তার মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে জানা গেছে। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এবং আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, নবী করিম (স.)–এর শানে কটূক্তি চরম ধৃষ্টতা ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। তারা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি ক্ষমা চাইলেও বিষয়টি শুধু ক্ষমার মাধ্যমে শেষ হতে পারে না, বরং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তারা আরও বলেন, “তিনি যদি সত্যিই অনুতপ্ত হন, তবে তাকে সঠিক পথে ফিরে এসে নতুন করে ঈমান আনতে হবে।” একই সঙ্গে তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।






