ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল গফুর এবং তার বড় ভাই মো. এরশাদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলা সদর এলাকা থেকে তজুমদ্দিন থানা পুলিশের একটি দল, ভোলা সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় আব্দুল গফুরকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে একই মামলায় তার বড় ভাই এরশাদকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, তজুমদ্দিন উপজেলার গোলকপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নূর হোসেন মাঝির (৭২) সঙ্গে জায়গা-জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আব্দুল গফুর। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গফুর ও তার সহযোগীরা নূর হোসেন মাঝি এবং তার ছেলে ইউসুফের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
হামলায় গুরুতর আহত হন বাবা-ছেলে। প্রথমে তাদের তজুমদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল গফুরের ভাতিজা মো. ইমরান বলেন, জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোনতাছির আলম রবিন চৌধুরী বলেন, আব্দুল গফুর তজুমদ্দিন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তজুমদ্দিন থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, চাঁদাবাজি ও মারধরের মামলায় আব্দুল গফুর ও তার ভাই এরশাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বার্তা বাজার/এমএমএইচ






