ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বিএনপি নেতার মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে আব্দুস সালাম নামের এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ১১টার দিকে বালিয়াডাঙ্গীর চৌরাস্তায় মোটরসাইকেল মালিক ও স্থানীয় লোকজন তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আ.লীগ নেতা আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম।
জানা গেছে, দুওসুও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি দুওসুও ইউনিয়ন যুবলীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
মোটরসাইকেলের মালিক ফরহাদ হোসেন দুওসুও ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক। তিনি আব্দুস সালামকে প্রধান আসামি করে কয়েকজনের নামে বালিয়াডাঙ্গী থানায় মামলা দায়ের করেন।
তিনি বলেন, সোমবার বাড়ি থেকে ১৫০ সিসির মোটরসাইকেল চুরি হয়। পরের দিন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিলে মোটরসাইকেল ফেরত দেবেন বলে জানান। পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করি।
পুলিশ জানায়, আটক আব্দুস সালামের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মহিষমারী গ্রামের একটি বাঁশঝাড় থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করে।
এ ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পরে। সেখানে সোহেল রানা নামে একজন পোস্ট করে বলেন, ‘আমার গাড়ি হারাইছিল, ৪৫ হাজার টাকা নিয়ে বের করে দিয়েছে আ.লী নেতা আব্দুস সালাম।’
সাহেরুল ইসলাম নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘আমার কাছ থেকে মোটরসাইকেল উদ্ধার বাবদ ৫১ হাজার টাকা নেয়।’
শাহজাহান নামে একজন লিখেছেন, ‘গত ২ বছর আগে ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে পালসার গাড়ি উদ্ধার করেছি আব্দুস সালামের মাধ্যমে।’
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, ‘ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালামকে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে আটক করা হয়েছে। থানায় মামলা দিয়ে আব্দুস সালামকে ঠাকুরগাঁও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’






