কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা এলাকায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতা আজহারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বাঙ্গরা বাজার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত আজহার (পিতা: আব্দুল জলিল মেম্বার), মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর ইউনিয়নের মেটংঘর গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১ জুলাই ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে একই এলাকার বাসিন্দা মো. আজাহার মিয়া কৌশলে ভুক্তভোগী শিশুকে নিজের পোল্ট্রি খামারের পাশে একটি টিনশেড ঘরে নিয়ে যান। পরে ঘরের দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে অভিযুক্ত ঘর থেকে বের হয়ে পালিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ভুক্তভোগীর বাবা বাঙ্গরা বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
স্থানীয়রা জানান – জামায়াতে ইসলামীর নেতা আজহার এর আগেও এলাকায় নানান অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি গ্রামের প্রভাবশালী হওয়ায় টাকা পয়সা দিয়ে অপরাধ ধামাচাপা দেন।
স্থানীয় হোমিওপ্যাথি ডাক্তার সেতু দেবনাথের চেম্বারে গিয়ে ধর্ষিত শিশুর রক্তপাত বন্ধ করা হয়। নানান অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে সেতু দেবনাথও জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন- আজহার নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে জানতে বাঙ্গরা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।






