সরকারি অর্থের সঠিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহারের অনন্য নজির স্থাপন করলেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবিতা সরকার। উপজেলার দু’টি খাল পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডুমুরিয়া উপজেলার দুটি খাল পুনঃখনন কাজে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সহযোগিতা করেছেন।
সূত্রে আরও জানা যায়, অতিবৃষ্টি ও মাটির প্রকৃতিগত সমস্যার কারণে রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর নিমতলা খালের ৭ কি.মি. এর মধ্যে ৫.১ কি.মি. খাল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খনন করা সম্ভব হয়েছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আরিফ হোসেন বলেন, উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর নিমতলা হতে বিল ডাকাতিয়া হয়ে রংপুর সাড়াতলা দক্ষিণ পার্শ্ব আশি ফুট পর্যন্ত এবং সাহস ইউনিয়নের ডোলভাঙ্গা খাল হতে কাঠবুনিয়া বড় দোয়ানে হয়ে তেলিখালি গেট অভিমুখে ভদ্রা নদী পর্যন্ত দু’টি খাল পুনঃখননের জন্য সরকার ৩ কোটি ৯ লাখ ৬ হাজার ৭৬৯ টাকা বরাদ্দ দেয়। খনন কাজের পাশাপাশি প্রায় ৫ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে শ্রমিকদের মজুরি, যন্ত্রপাতি ও পরিবহনসহ প্রয়োজনীয় খরচ নির্বাহ শেষে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা আর্থিক বিধিমালা অনুসরণ করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবিতা সরকার জানান, সরকারি প্রকল্পের প্রতিটি টাকা জনগণের টাকা। নিয়ম অনুযায়ী যতটুকু কাজ হয়েছে ঠিক ততটুকুরই বিল পরিশোধ করে অবশিষ্ট ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা বিধি মোতাবেক সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।
এআর






