ঢাকা   শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

‘পরাজিত লোকেরাই সব সময় কাঁদে’

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম

‘পরাজিত লোকেরাই সব সময় কাঁদে’

‘পরাজিত লোকেরাই সব সময় কাঁদে’

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা জিতলেও বিতর্কিং রেফারিংয়ের কারণে সমালোচনা যেন থামছেই না। অনেকের দাবি, সে ম্যাচে রেফারির সুবিধা পেয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে এসব অভিযোগকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ আর্জেন্টিনার ১৯৭৮ বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মারিও কেম্পেস। তার মতে, কেবল হেরে যাওয়া লোকেরাই এসব কথা বলে।  

টিওয়াইসি স্পোর্টসের লাইভস্ট্রিমে কথা বলতে গিয়ে কেম্পেস বলেন, ‘হারা লোকেরাই সব সময় কাঁদে। আর কেউ যদি মনে করে একটি বিশ্বকাপ কাউকে হাতে তুলে দেওয়া হয়, তাহলে সে খুবই…।’ 

আটালান্টাতে আক্রমণে উঠার সময় লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউলের অভিযোগে মিশরের স্ট্রাইকার মোস্তফা জিকোর গোল বাতিল করা হয়। ম্যাচের শেষ দিকে মোহামেদ সালাহ আর্জেন্টিনার বক্সে পড়ে গেলেও ফাউলের বাঁশি বাজাননি রেফারি। এই দুটি সিদ্ধান্ত ঘিরেই আর্জেন্টিনার সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমালোচনার মুখে বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ফিফা। সংস্থাটির রেফারিং প্রধান কলিনা জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। কেম্পেসও এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেই মনে করেন। 

কেম্পেস বলেন, ‘১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপ নিয়ে আমাদের সম্পর্কে যা বলা হয়েছিল, এরপর আর কোনো কিছুতেই আমি অবাক হই না। আজ কলম্বিয়ার একটি রেডিও স্টেশনের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তারা জানতে চাইল, কাতার বিশ্বকাপ কি সত্যিই আর্জেন্টিনাকে উপহার দেওয়া হয়েছিল, আর এখন কি ম্যাচগুলোও তাদের পক্ষে করে দেওয়া হচ্ছে? এসবের জবাবই-বা কী দেবেন? ওদের বলতে দিন, কোনো সমস্যা নেই। প্রতিবার এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে আপনি পাগল হয়ে যাবেন।’

বর্তমান আর্জেন্টিনা দলকে ইতিহাসের সেরা বলা যায় কিনা—এ প্রশ্নেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ৭১ বছর বয়সি কেম্পেস। তার মতে, ১৯৭৮ সালের দল পথ দেখিয়েছিল ঠিকই, তবে বর্তমান দল যদি টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে পারে, তাহলে তাদের সেরার স্বীকৃতি নিয়ে আর কোনো বিতর্ক থাকবে না।  

এই প্রসঙ্গে কেম্পেস বলেন, ‘আমরা এই স্বীকৃতিকে মূল্য দেই। কারণ, পছন্দ হোক বা না হোক, ভিত্তিটা আমরাই গড়ে দিয়েছিলাম। ১৯৭৮ সালের পর থেকেই আর্জেন্টিনা সম্মান অর্জন করেছে। মাঝখানে দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া কোচরা চার বছর সময় পেয়েছেন নিজেদের দল গড়ে তোলার জন্য এবং বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার জন্য। তখন থেকেই আর্জেন্টিনা বিশ্বাসযোগ্যতা ও আশা অর্জন করতে শুরু করে।’

কেম্পেস আরও বলেন, ‘আমি সব সময়ই বলেছি, তিনটি দলই নিজেদের সময়ে সেরা ছিল। তবে এই দলটি যদি টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতে, তাহলে এটাই হবে সেরা। বিষয়টি দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার। এই মুহূর্তে তিনটি দলই সমানে সমান।’

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন