ঢাকা   মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

জানেন একটি কিডনি নিয়েই জাতীয় দলে খেলেছেন কোন টাইগার ক্রিকেটার?

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৭ পিএম

জানেন একটি কিডনি নিয়েই জাতীয় দলে খেলেছেন কোন টাইগার ক্রিকেটার?

জানেন একটি কিডনি নিয়েই জাতীয় দলে খেলেছেন কোন টাইগার ক্রিকেটার?

স্পোর্টস ডেস্ক : ক্যারিয়ারের পুরোটা সময়জুড়েই শুধু ক্রিকেট আর ক্রিকেট। বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফাহিম মুনতাসির নামটা পরিচিত না হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভিষেক টেস্টের সময়টা সবারই জানান। ২০০০ সালে সেই টেস্টের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। খ্যাতি ছিল অফ স্পিনার হিসেবে। এবার এই প্রজন্মের কাছেও সহজ হয়ে গেল ফাহিম মুনতাসিরের পরিচয়। তিনি অধিক পরিচিত ছিলেন সুমিত নামে।

তবে তাকে নিয়ে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো- জন্ম থেকেই তিনি একটি কিডনি নিয়েই এখন পর্যন্ত বেঁচে আছেন। ক্রিকেটের মতো শারীরিক কসরতের খেলায় একটি কিডনির অভাব তিনি কখনো বুঝতেই পারেননি। এর চেয়ে অবাক করা বিষয় হলো- খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসরে যাওয়ার ২১ বছর পর জানতে পারেন যে তার একটি কিডনি নেই।

১৯৯৮ সালের অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে প্লেট চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ যুব দলের সদস্য ছিলেন, পরের বছর পেয়েছিলেন যুব দলের নেতৃত্বও। জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছেন সমান তিনটি করে টেস্ট ও ওয়ানডে। ২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের স্কোয়াডে থাকলেও ছিলেন না একাদশে। অভিষেক হয় ২০০২ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে। তবে ওয়ানডে অভিষেকটা তার দুই মাস আগে। ২০০১ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে। সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরে কলম্বোতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। আর সে বছরের জুলাইতে কলম্বোতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি।

এই খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি কখনোই কোনো সমস্যা অনুভব করেননি যে, তার শরীরে একটি কিডনির ঘাটতি রয়েছে। একেবারেই স্বচ্ছন্দে খেলে গেছে ঘরোয়া লিগ থেকে জাতীয় দলের সব কয়েকটি ম্যাচ।

ফাহিম নিজের এই ঘাটতির কথা প্রথম জানতে পারেন ২০২৩ সালে। সম্প্রতি দেশের এক সংবাদমাধ্যমে তাকে নিয়ে এক প্রতিবেদনে এমনটা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। সে বছর ভারতের দিল্লিতে গিয়েছিলেন ফাহিম। তেমন কোনো সমস্যা না থাকলেও শারীরিক পরীক্ষার কাজেই মূলত গিয়েছিলেন। তখনই পেটের আলট্রা সাউন্ড পরীক্ষা করে ডাক্তার বুঝতে পারেন ফাহিমের একটি কিডনি নেই।

ডাক্তার নিজ থেকেই জানতে চান, পূর্বে কখনো অস্ত্রোপচার হয়েছে কি না। ফাহিমের ‘না’ শুনে ডাক্তার সন্দেহ করেন জন্মগতভাবেই তার একটি কিডনি নেই। কোনো এক পাশের একটি কিডনির ঘাটতি রয়েছে। পরে রিপোর্টেও সেটিই ধরা পড়ে। তবে এতে ভয়ের কিছু নেই বলেও আশ্বস্ত করে দেন ডাক্তার। এক হাজার শিশুর মধ্যে একজন একটি কিডনি নিয়ে জন্মায়। ফাহিমও তাদেরই একজন। দুশ্চিন্তার কিছু না থাকলেও কিডনি সুস্থ রাখার কাজ করে যেতে হয়। একটি কিডনি নিয়ে খেলাধুলা করতে কোনো সমস্যা নাই। এই কারণে ফাহিমও খেলে গেছেন অনায়াসে।

তবে বর্তমানে কিডনিজনিত সমস্যাতেই ভুগছেন ফাহিম। দেখা দিয়েছে জরা, রক্তে কিডনির সুস্থতার পরিমাপক ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যাচ্ছিল স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি থেকে ডায়লাইসিসের ওপর আছেন তিনি। সপ্তাহে দুদিন ডায়লাইসিস করান তিনি। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন কিডনি প্রতিস্থাপনের। যার আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি।

এ ব্যাপারে বিসিবি ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব তাঁকে আর্থিকভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বলেও জানা গেছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন