মাত্র ৫ দিন পরই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেন অভিষেক শর্মা
স্পোর্টস ডেস্ক : মাত্র পাঁচ দিন আগে ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় এক রেকর্ড উদযাপন করছিলেন অভিষেক শর্মা। বনে গিয়েছিলেন পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিয়ান। কিন্তু তার ৫ দিন পরই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেন। জাপানের বিপক্ষে এবার আরও একটি টি-টোয়েন্টি রেকর্ড গড়লেন তিনি, তবে এবার একেবারেই ভিন্ন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে।
মঙ্গলবার সানোতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক এক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে গোল্ডেন ডাক মেরে আউট হন এই ভারতীয় ওপেনার। মাত্র একটি বল মোকাবিলা করেই চার্লি হারা হিঞ্জের বলে টপ এজ হয়ে শোমা সুগায়া স্লেটারের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি ছিল তার দশম শূন্য। কোনো একক পঞ্জিকাবর্ষে এটাই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এই তালিকায় তিনি পেছনে ফেলেছেন আফগানিস্তানের রশিদ খানকে, যিনি ২০১৯ সালে নয় বার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। এছাড়া পাকিস্তানের শাদাব খানও ২০২৪ সালে নয়টি শূন্যের রেকর্ড গড়েছিলেন।
এই বৈসাদৃশ্য সত্যিই বিস্ময়কর। এর ঠিক পাঁচ দিন আগেই নয়াদিল্লিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩৪ বলে ১০৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন অভিষেক। মাত্র ৩০ বলে পূর্ণ করেছিলেন নিজের সেঞ্চুরি।
কোনো ভারতীয় ব্যাটারের দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি ছিল সেটি। রোহিত শর্মার আগের রেকর্ড ৩৫ বল ভেঙে দিয়েছিলেন তিনি। পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে সামগ্রিকভাবে এটি ছিল তৃতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি।
মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে ৩০ বলে রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি থেকে প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট, আর সেই সঙ্গে এমন একটি রেকর্ড, যা নিশ্চিতভাবেই চাননি ২৬ বছর বয়সী এই তারকা।
তার এই আউট হওয়ার ঘটনাটিই যেন ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিল, ভারতের জন্য দিনটি হতে যাচ্ছে বিস্ময়করভাবে কঠিন এক দুপুর। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি পাঁচ ওভারে নামিয়ে আনা হয়।
পাঁচ ওভারে মাত্র ৩০ রান তুলতে সমর্থ হয় ভারত, হারায় চার উইকেট। এরপর ঐতিহাসিক এক অঘটনের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে যায় জাপান। তিন উইকেট হারিয়ে ৩০ রানে থামে তারা, আর মাত্র দুই রানের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত। শেষ ওভারে একটি ওয়াইড বল নিয়েও তৈরি হয়েছিল বিতর্ক।






