রাজশাহীতে কর আপীল অঞ্চলের সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেখিয়ে ১২ বছর ধরে চাকরি করছেন মো. হিমেল কাওসার। তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হেমাজ উদ্দিনকে নিজের দাদা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। তবে তদন্তে প্রমাণিত হয়—হেমাজ উদ্দিন তার আপন দাদা নন, বরং দাদার ভাই।
২০১৩ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত হিমেল কাওসারের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ২৬ আগস্ট লিখিত অভিযোগ করেন আব্দুল আউয়াল নামের এক ব্যক্তি। এরপর অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার আয়েশা বিনতে মিজানের নেতৃত্বে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, চাকরির সময় মুক্তিযোদ্ধা কোটাও খালি ছিল না।
তদন্তে জানা যায়, সাবেক কর কমিশনার খন্দকার মো. ফেরদৌস আলম এই নিয়োগ কমিটির প্রধান ছিলেন এবং তার সুপারিশেই হিমেল চাকরি পান। হিমেল কাওসারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। রাজশাহী কর আপীল অঞ্চলের কমিশনার এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছেন।
এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানান, চাকরির জন্য ভুয়া তথ্য দিলে শুধু চাকরিচ্যুতিই নয়, ফৌজদারি মামলাও হতে পারে।
বার্তাবাজার/এমএইচ






