জামায়াতে ইসলামী রাজনীতিকে পেশা নয় বরং দায়িত্ব হিসেবে পালন করে–এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, রাজনীতিকে জামায়াত দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছে।’
একই সঙ্গে জামায়াতের সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হলে বিনা ট্যাক্সে বিলাসবহুল গাড়ি কিংবা স্বল্পমূল্যের সরকারি ফ্ল্যাট নেবেন না বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
শনিবার সকালে হবিগঞ্জের স্থানীয় নিউফিল্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুর রহমান জানান, ক্ষমতায় গেলে আইন সকলের জন্য সমান হবে। বিচার টাকার কাছে বিক্রি হবে না। সবাই ন্যায় বিচার পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে আর বিভক্ত করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
যারা সন্ত্রাসীদের বিপক্ষে দাঁড়াবে তারা ন্যায় ইনসাফের পক্ষে ভোট দেবে প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হয়ে কেউ চরিত্র হননের রাজনীতি করবে সেই বাংলাদেশ চাই না। আমরা নির্বাচিত হলে জনপ্রতিনিধি এবং তার পরিবারের আয়-ব্যয়ের হিসেব দিতে বাধ্য থাকবে।’
আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী জয়ী হলে চা বাগানের শিল্পকে আধুনিক করা হবে। চা শ্রমিকের সন্তানেরাও উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে। কেউ শিক্ষার বাইরে থাকবে না বলে জানান এই নেতা।
এ সময় রাজনীতি যাদের পেশা, তারা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করে দেওয়া হবে। ব্যবসায়ীদের চিন্তা নিয়ে ঘুমাতে যেতে হবে না।
জামায়াতে আমির অভিযোগ করেন, অসৎ নেতৃত্বের কারণে এ দেশের মানুষের ভাগ্য বদলায়নি। তারা সব ধরণের বিভক্তি ঘৃণা করে উল্লেখ করে জানান, বাংলাদেশকে আর বিভক্ত করতে দেওয়া হবে না।
একই সঙ্গে ক্ষমতায় গেলে গ্রামকে কৃষি ভিত্তিক শিল্প হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি ‘হ্যা’ ভোট বিজয়ী হলে পুরনো বস্তাপচা রাজনীতির অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দেন শফিকুর রহমান।
এদিন হবিগঞ্জ ছাড়াও সিলেট বিভাগের আরও কয়েকটি জায়গায় নির্বাচনী জনসভা করবেন জমায়াতের আমির।






