সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর এবার বাংলাদেশ দলের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ—পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। বিশ্রামের সুযোগ না থাকলেও নতুন মিশনের জন্য প্রস্তুত টাইগাররা।
লড়াইয়ের ভেন্যু এবার ঐতিহাসিক লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়াম। নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক নানা বিষয় মাথায় রেখে বাংলাদেশ দলকে দুই ধাপে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
প্রথম দফার খেলোয়াড়রা আগেই পাকিস্তানে পৌঁছান। তাদের পর সোমবার সকালে দ্বিতীয় বহরের খেলোয়াড়রাও লাহোরে গিয়ে পৌঁছেছেন। দ্বিতীয় দলে রয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম, জাকের আলি অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী এবং শেখ মেহেদী হাসান।
প্রথম দফায় যাঁরা পাকিস্তানে গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে আছেন হাসান মাহমুদ, তানভীর ইসলাম, পারভেজ হোসেন ইমন এবং তানজিম হাসান সাকিব। এদের সঙ্গে ছিলেন টিম ম্যানেজার নাফিস ইকবাল ও কয়েকজন সাপোর্ট স্টাফ।
বিসিবি এবার খেলোয়াড়দের ওপর সফরে যাওয়ার জন্য কোনো চাপ দেয়নি। তাই ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণে এই সফরে অনুপস্থিত রয়েছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা, ফিটনেস কোচ নাথান কেলি এবং ফিল্ডিং কোচ জেমস প্যামেন্ট।
তবে দলের জন্য একটি সুখবর হচ্ছে—অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ এবার স্কোয়াডে যোগ দিয়েছেন। তিনি ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে অবস্থান করছেন, কারণ পিএসএলে অংশগ্রহণ করছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন রিশাদ হোসেন, যিনি সম্প্রতি লাহোর কালান্দার্সের হয়ে পিএসএলে শিরোপা জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন।
তবে ইনজুরির কারণে সফরের আগেই ছিটকে গেছেন অভিজ্ঞ পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁর পরিবর্তে দলে যুক্ত হয়েছেন খালেদ আহমেদ। যদিও খালেদ মূলত টেস্ট বোলার হিসেবে পরিচিত, তবুও তাঁর ওপরই আস্থা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
সিরিজের সূচি:
- ১ম টি-টোয়েন্টি: ২৮ মে
- ২য় টি-টোয়েন্টি: ৩০ মে
- ৩য় টি-টোয়েন্টি: ১ জুন
সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। সংযুক্ত আরব আমিরাত সিরিজে হতাশার পর সমালোচনার জবাব দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময় টাইগারদের জন্য। এবার দেখা যাক, নতুন এই চ্যালেঞ্জে দল ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না।






