ঢাকা   সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

৫০ বছর পরে হলেও ছাত্রদলকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম

৫০ বছর পরে হলেও ছাত্রদলকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক

রাজধানীর শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতাদের ওপর মারধরের ঘটনায় ৫০ বছর পরে হলেও মারধরে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।

তিনি বলেন, ‘সময়ের পরিক্রমায় আপনাদের বিচার আমরা এটা নিশ্চিত করবই। আজ হোক বা ৫০ বছর পরে হোক। যারা যারা এই হামলার সাথে জড়িত ছিলেন, যারা যারা উস্কানি দিয়েছেন, পরিকল্পনা করেছেন -প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’

রোববার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এই হুঁশিয়ারি দেন।

মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ‘ছাত্রদলের যারা আমাদেরকে মারতে গিয়েছে, তারা মেরে ফেলতে পারে নাই। কিন্তু যদি মেরেও ফেলে, আমাদের আত্মা হুহু করে কথাগুলো বলে যাবে এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এ কথাগুলো বলে যাবে। এবং আমাদের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে। আপনি যদি আমার লড়াইকে পছন্দ করেন বা না করেন, আপনার জন্য আমার এই লড়াই।’

তিনি বলেন, ‘আপনি যদি আমার জন্য আমার পাশে নাও দাঁড়ান, হতে পারে অনেক অনেকে যারা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন বা অন্যান্য রাজনৈতিক দলে আছেন, তারা জুলাই শক্তি হোক বা যাই হোক, তারা যখন বিভিন্ন জায়গায় হামলার শিকার হয়েছেন, গাজীপুরে বা অন্যান্য জেলায় হামলা হওয়ার পর প্রথম প্রতিবাদগুলো আমরা জানিয়েছিলাম। তারাও অনেকেই একটা ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার মতো নৈতিক সাহস তাদের হয় নাই, প্রতিবাদ জানানো তো দূরের কথা।’

ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক বলেন, ‘যারা এই হামলার সাথে জড়িত ছিল, তারা এটাকে নিয়ে উল্লাস করেছে। উল্লাস স্থায়ী হবে না। যারা উল্লাস করে মনে করছেন যে, তারা অনেক বড় কিছু করে ফেলেছেন। সময়ের পরিক্রমায় আপনাদের বিচার আমরা এটা নিশ্চিত করবই -আজ হোক বা ৫০ বছর পরে হোক। যারা যারা এই হামলার সাথে জড়িত ছিলেন, যারা যারা উস্কানি দিয়েছেন, পরিকল্পনা করেছেন -প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানের নামে আপত্তিকর পোস্ট ছড়ানো হয়। এ ঘটনায় ছড়ানো নিয়ে স্ক্রিনশটটিকে ভুয়া দাবি করে শাহবাগ থানায় জিডি করতে যান ডাকসুর শিবির প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। এরপর ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ থানায় গেলে তাদের ওপর মারধরের ঘটনা ঘটে।

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন