ঢাকা   শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

৭১-এর কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা চাইতে সমস্যা কোথায়: সংসদে গয়েশ্বর

Authorডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫২ পিএম

৭১-এর কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা চাইতে সমস্যা কোথায়: সংসদে গয়েশ্বর

১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামির ভূমিকা এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে সমালোচনা করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করতে হলে এবং আজকের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে একাত্তরের কর্মকাণ্ড যে সঠিক ছিল না, তা মেনে নিয়ে ক্ষমা চাইতে অসুবিধা কোথায়? জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলে কেউ নিন্দিত হয় না, বরং ভুলকে আঁকড়ে রাখাই নিন্দনীয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির এই প্রবীণ নেতা এসব কথা বলেন।

বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমাদের মূল মন্ত্র গণতন্ত্র, সাম্য ও ন্যায়বিচার। ৪৭-এ পাকিস্তানের আন্দোলন ছিল, সেই আন্দোলনে কিন্তু আমার সামনের লোকরা (সংসদ সদস্যরা) পাকিস্তানের পক্ষে ছিল না। তারা কিন্তু অখণ্ড ভারতের পক্ষে ছিল। ৪৭-এ গর্ব করার মতো আপনাদের কিছু নেই।

৫২-র ভাষা আন্দোলনে, ৬২-র শিক্ষা আন্দোলনে আমি ছাত্র, খুব ছোট না, সেই শিক্ষা আন্দোলন থেকে আমার রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা শুরু। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একদিন বলেছিলেন, একটি জাতির মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তার সমাপ্তি হয় না। আমরা যুদ্ধ শুরু করেছিলাম ২৬শে মার্চ থেকে, সমাপ্ত করেছি ১৬ই ডিসেম্বরে।

তিনি বলেন, আমার বন্ধু মাননীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু যে রিটেন সাবমিশন দিল, এখান থেকে তো আপনাদের বুঝতে হবে যে সেই সময়টার জন্য আজকের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করে আপনাদের ৭১-এর কর্মকাণ্ড সঠিক ছিল না। ব্যাটে ভুল ছিল, জনগণের পক্ষে ছিল না, তার জন্য ক্ষমা চাইতে অসুবিধা কোথায়? আপনাদের ভুল স্বীকার করতে ক্ষতিটা কী? মানুষ ভুল করে, মানুষ সংশোধন করে। ভুলকে যারা আঁকড়ে রাখে তারা নিন্দিত হয়, ভুলকে যারা স্বীকার করে তারা নন্দিত হয়।

গয়েশ্বর আরও বলেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরেকটি কথা বলেনি। সেটি হলো- ৪৩ জন পার্লামেন্ট মেম্বার, প্রাদেশিক পরিষদ এবং ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির মেম্বার সম্ভবত আগস্ট মাসের দিকে মালেকের সাথে দেখা করেন বঙ্গভবনে। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন, শেখ মুজিবের চাচা মোশাররফ হোসেন খান। তারা ৪৩ জন পাকিস্তানের পক্ষে বিবৃতি দেয়। সেই ৪৩ জনের বিচার হয়নি এখনো।

নিজের মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমার মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট নেই। আমি দাবিও করি না। আমি মুক্তিযুদ্ধের বিনিময়ে কিছু আশা করি না।

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!