ঢাকা   বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

পদত্যাগে মমতার নারাজি ও নজিরবিহীন জেদ ‘জনমতের অবমাননা’

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম

পদত্যাগে মমতার নারাজি ও নজিরবিহীন জেদ ‘জনমতের অবমাননা’

‘মানুষের রায়ই শেষ কথা’, গণতন্ত্রের এই আদি ও অকৃত্রিম পাঠ কি ভুলে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর সাধারণত যেখানে নৈতিক দায় নিয়ে পদত্যাগের রীতি রয়েছে, সেখানে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা, ‘আমি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেব না’। তার এই মন্তব্য ঘিরে ইতমধ্যে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ঝন্টু বরাইকের মতে, এটি কেবল পরাজয় স্বীকার না করা নয়, বরং স্পষ্ট জনমতের সরাসরি অবমাননা।

নির্বাচনি ফলাফল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে বাংলার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় যখন একটি সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়, তখন সেই মুহূর্তে সরকার পরিচালনার নৈতিক অধিকারও হারায় তারা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ‘অদ্ভুত’ জেদ যেন এক নতুন সাংবিধানিক সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিজেপি নেতা, সাবেক বিধায়ক ও আইনজীবী অম্বিকা রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করে বলেন, পরাজয়ের পর পদত্যাগ করাটাই দস্তুর। কিন্তু সেই পথে না হেঁটে কুর্সি আঁকড়ে রাখার প্রচেষ্টা সংসদীয় গণতন্ত্রের ঐতিহ্যের পরিপন্থি। বাংলার মানুষ যাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন, তারাই যদি জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চান, তবে সাধারণ মানুষের ভোটের দাম রইলো কোথায়?

অম্বিকা রায়ের সাফ কথা, সংখ্যাতত্ত্বের লড়াইয়ে হেরে যাওয়ার পর প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে তার নৈতিক জায়গাটি কার্যত ধসে পড়েছে।

এদিকে এই ঘটনা রাজভবন বনাম নবান্ন সংঘাতের নতুন আবহ তৈরি করলো বলেই মনে করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অনড় অবস্থান রাজ্যকে এক গভীর প্রশাসনিক অচলাবস্থার দিকে ঠেলে দিতে পারে। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকার কোনও আইনি বৈধতা থাকে না। ফলে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!