অনুমতি ছাড়া অস্ট্রিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করায় টানা দুই দিনে দুইবার মার্কিন সামরিক বিমানকে ধাওয়া দিয়েছে দেশটির ইউরোফাইটার যুদ্ধবিমান। গত মঙ্গলবার (১২ মে) প্রকাশিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ঘটনাগুলোতে মার্কিন বিমানবাহিনীর দুটি পিসি-১২ বিমান জড়িত ছিল। টার্বোপ্রপ মডেলের এই বিমানগুলো সাধারণত নজরদারি ও গোয়েন্দা অভিযানে ব্যবহৃত হয়। অস্ট্রিয়ার দৈনিক কুরিয়ার জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় সামরিক ট্রানজিট অনুমতি ছাড়াই দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করায় রোববার (১০ মে) এবং সোমবার (১১ মে) এয়ার-পুলিশিং সতর্কতা জারি করা হয়।
অস্ট্রিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাইকেল বাউয়ার বলেন, সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৩১ মিনিটে অননুমোদিত উড্ডয়নের পর বিমান দুটিকে শনাক্ত করতে দুটি অস্ট্রিয়ান ইউরোফাইটার মোতায়েন করা হয়। অস্ট্রিয়ান যুদ্ধবিমানগুলো বাধা দেয়ার পর মার্কিন সামরিক বিমান দুটি জার্মানির মিউনিখে অবতরণ করে বলে জানা গেছে।
বাউয়ার আরও জানান, একই বিমান রোববার আপার অস্ট্রিয়ার আকাশেও দেখা গিয়েছিল। তখন প্রথমবারের মতো অস্ট্রিয়া যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে। তিনি বলেন, বিষয়টি কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে মোকাবিলা করা হবে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নিজেদের আকাশসীমার ওপর নজরদারি আরও জোরদার করেছে অস্ট্রিয়া। গত মাসে দেশটি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িত মার্কিন সামরিক বিমানকে অস্ট্রিয়ার আকাশসীমা ব্যবহার করতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এর পেছনে দেশটির নিরপেক্ষতা আইনকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
উপ-চ্যান্সেলর আন্দ্রেয়াস বাবলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, অস্ট্রিয়ার জনগণ (মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড) ট্রাম্পের বিশৃঙ্খল রাজনীতি ও তার যুদ্ধের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখতে চায় না। তিনি আরও বলেন, নিরপেক্ষতা আমাদের দেশের একটি মূল্যবান সম্পদ। যুদ্ধকে না বলুন।
সূত্র: আনাদোলু






