প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনের আগে সারা দেশে আমি গিয়েছি। তখন মা-বোনদের বলেছি নির্বাচিত হলে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছি। ধীরে ধীরে চার কোটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। বিশেষ করে যারা গ্রামে বসবাস করে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় চাঁদপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ২২ জেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘সরকার গঠনের পরপরই আমরা এক মাসের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছি। আজকে চাঁদপুরে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে কার্ড বিতরণের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে আপনারা সবাই এই কার্ড পাবেন। আমরা শুধু ফ্যামিলি কার্ডই দেবো না। কারণ এই দেশে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে কৃষক। আমরা কৃষকদের কৃষিকার্ড দেবো। এটি পেলে কৃষকরা উপকৃত হবেন।’
তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য ক্লাস ওয়ান থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। আমরা নারী শিক্ষার অগ্রগতির জন্য ডিগ্রি বা স্নাতক পর্যন্ত ফ্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মেয়েদের মধ্যে যারা পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করবে তাদের জন্য সরকারিভাবে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে। আগামী বাজেটে আমরা শিক্ষার ওপর সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রেখেছি। যাতে করে আমরা নতুন নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে পারি। একইসঙ্গে শিক্ষকদেরও ট্রেনিং দেওয়ার জন্য বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় চাঁদপুর জেলায় একটি ইপিজেড করার ব্যবস্থা করতে বিডার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমানকে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্যতা যাচাই করে এটি বাস্তবায়ন হলে যেমন চাঁদপুর জেলার লোকজনের কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি অন্য জেলার লোকজনও কাজ পাবে।’
অনুষ্ঠানে ১০ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এতে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এতে আরও বক্তব্য দেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. জালাল উদ্দিন ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা ও জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্যাহ সেলিম।






