দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এক মামলায় সিরাজগঞ্জ সড়ক উপ-বিভাগ-২ এর সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী মো. গোলাম সরোয়ারের স্থাবর সম্পদ ক্রোক (অ্যাটাচ) করার আদেশ দিয়েছেন পাবনার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত।
বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের পাবনা জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মমিন উদ্দিন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ (সংশোধিত-২০১৯) এর বিধি ১৮ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী আসামির নামে থাকা বিভিন্ন স্থাবর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আসামি মো. গোলাম সরোয়ার (৫৫) সিরাজগঞ্জ সড়ক উপ-বিভাগ-২ এর সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী ছিলেন। বর্তমানে তিনি মানিকগঞ্জের নয়াঘাটের সড়ক উপবিভাগে কর্মরত রয়েছেন। তার বর্তমান ঠিকানা সাভারের শাহীবাগ এলাকায় এবং স্থায়ী বাড়ি পাবনার বেড়া উপজেলার নতুন পেচা কোলা সরকারপাড়ায়।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী ক্রোককৃত সম্পদের মধ্যে রয়েছে ঢাকার মোহাম্মদপুর হাউজিং এস্টেটের বাবর রোডে অবস্থিত একটি ফ্ল্যাট, আশুলিয়ার দিয়াবাড়ী মৌজায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ জমি এবং সাভারের আইচানোয়াদ্দা মৌজায় ২ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি ও সেখানে নির্মিত টিনসেড ঘর/স্থাপনা।
নথিপত্র অনুযায়ী, মোহাম্মদপুরের ফ্ল্যাটটির দলিলমূল্য ও রেজিস্ট্রি খরচসহ মূল্য ধরা হয়েছে ৩৮ লাখ ৬১ হাজার ৫৪ টাকা। এছাড়া আশুলিয়ার জমির মূল্য ২৩ লাখ ২ হাজার ৮০ টাকা এবং সাভারের জমি ও টিনসেড স্থাপনার অংশমূল্য ও নির্মাণ ব্যয় মিলিয়ে প্রায় ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৬৮৪ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সম্পদের মোট মূল্য প্রায় ৭৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৮ টাকা।
আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছেন, ক্রোককৃত এসব সম্পদ কোনো অবস্থাতেই হস্তান্তর, বিক্রয় বা বিনিময় করা যাবে না। এ বিষয়ে জেলা রেজিস্ট্রার, সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সাব-রেজিস্ট্রারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সড়ক উপ-বিভাগ-২ এর সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী মো. গোলাম সরোয়ার বলেন, এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নাই। এ ধরনের কিছু আমার নাই ।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পাবনার উপসহকারী পরিচালক তদন্তকারী কর্মকর্তা মমিন উদ্দিন বলেন, আমি এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলাম। আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। তার সম্পত্তি।






