ঢাকা   সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

রামিসা হত্যায় আমার স্ত্রী নির্দোষ: আসামি সোহেল

Authorনিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম

রামিসা হত্যায় আমার স্ত্রী নির্দোষ: আসামি সোহেল

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি আদালতে বলেন, ঘটনার সঙ্গে তার স্ত্রীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

সোমবার (১ জুন) শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আগামীকাল ২ জুন সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কারাগার থেকে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়। প্রথমে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে সকাল ১১টা ১০ মিনিটে তাদের এজলাসে তোলা হয়। অভিযোগ গঠনের পর আদালত তাদের কাছে দোষ স্বীকার বা অস্বীকার জানতে চাইলে উভয়েই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এ সময় আসামি সোহেল রানা বলেন, এই ঘটনায় তার স্ত্রীর কোনো দোষ নেই।

আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় রাষ্ট্রীয় খরচে ঢাকা বারের সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করেন। এরপর ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ১ জুন অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান।

পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা অনুসন্ধান শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা স্বপ্নার ফ্ল্যাটের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান। দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে শয়নকক্ষের মেঝেতে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায় এবং মাথা একটি বালতিতে রাখা ছিল।

ঘটনাস্থলে স্বপ্না আক্তারকে উপস্থিত পাওয়া যায়। অভিযোগে বলা হয়, তার স্বামী সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করেন। এ ঘটনায় ১৯ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

এরপর প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একইদিন আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!