প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।
সোমবার এক শোক বার্তায় জিএম কাদের বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
শোক বার্তায় তিনি বলেন, ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী তোফায়েল আহমেদ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্টের অন্যতম নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের সমর্থনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ছাত্রনেতা হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সে সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ,ভোলা-১, ভোলা-২ এবং বাকেরগঞ্জ-১ আসন থেকে মোট আটবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭০ সালে তোফায়েল আহমেদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ সালের জুন থেকে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০১ সাল পর্যন্ত শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শোকবার্তায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও তার অসংখ্য অনুসারীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।






