ময়মনসিংহের ভালুকার বড়চালা হুসাইনিয়া দাখিল মাদরাসা মাঠের প্রায় অর্ধশতবর্ষী একটি কড়ই গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনার পর সাবেক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবির মুখে মাদরাসা প্রাঙ্গণে ১০০টি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মাঠের চারপাশে ১০০টি চারা রোপণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে আরও চারা রোপণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মাদরাসা মাঠের প্রায় অর্ধশতবর্ষী একটি কড়ই গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে সাবেক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তাঁদের দাবির মুখেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
চারা রোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হবিরবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান বাসান, মাদরাসার সুপার শেখ খাইরুল বাশার, সাবেক শিক্ষার্থী হাফেজ মঞ্জুর মাহমুদ, হাবিবুল্লাহ জিহাদী, সফিউল আলম, ইমরান মোল্লা ও মাসুদ রানা। এ ছাড়া মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মাদরাসার সুপার শেখ খাইরুল বাশার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মাঠের চারপাশে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের ১০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। মাদরাসা প্রাঙ্গণকে আরও সবুজ, নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে ভবিষ্যতেও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
উল্লেখ্য, কড়ই গাছ কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘অগ্রদূত’-এ ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রাক্কালে কড়ই গাছ কর্তন, তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের এক দিনের মধ্যেই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
বার্তা বাজার/এস এইচ






