ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

হাইকোর্টে বিরতিহীনভাবে চলবে শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার: অ‍্যাটর্নি জেনারেল

Authorনিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

হাইকোর্টে বিরতিহীনভাবে চলবে শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার: অ‍্যাটর্নি জেনারেল

হাইকোর্টে বিরতিহীনভাবে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার চলবে বলে জানিয়েছেন অ‍্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মামলা শুনানিতে কোনও মুলতবি আবেদন করবো না।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেছেন। বিশেষ বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর আদালতে আজ রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে বলেছি, আমরা রামিসা হত্যা মামলার শুনানিতে কোনও মুলতবির আবেদন করবো না। বিরতিহীনভাবে শুনানি করবো।

তিনি বলেন, আগামী রবিবার হাইকোর্টের কার্যতালিকায় রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি থাকতে পারে। গত ৯ জুন রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড (ডেথ রেফারেন্স) অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে আসে।

দুই আসামির ফাঁসির রায়ে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন সইয়ের পর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ফৌজদারি কোনও মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসেবে পরিচিত।

গত ৭ জুন রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন আদালত। আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মৃত্যুদণ্ডের এ রায় ঘোষণা করেন।

পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অর্থদণ্ড ভুক্তভোগী রামিসার আইনগত উত্তরাধিকার পাবে। ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেন, হত্যার আগে ধর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে জখমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর তা প্রত্যাহারের কোনও আবেদন না থাকায় বোঝা যায়, সোহেল স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছে। স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছে স্বপ্না। অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা এবং তা প্রতিরোধে কোনও ভূমিকা না রাখার বিষয়টিও আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে।

 

বার্তা বাজার/এস এইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন