রাজধানীতে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গত দুই দিনে চলা এসব অভিযানে এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ডিএমপি।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, সোমবার দিনভর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিএমপি ৮২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে চাঁদাবাজি, দস্যুতা, ছিনতাই, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৩৩ জন এবং মাদক কারবারে জড়িত থাকায় ৩৭ জনকে ধরা হয়। এ ছাড়া পৃথক আরেক অভিযানে চুরি, জালিয়াতি ও মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
এর আগে, গত রোববার মিরপুরের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায় মিরপুর মডেল থানা-পুলিশ। ওই অভিযানে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া এসব ব্যক্তির মধ্যে মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ইমারত শ্রমিক লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ ওরফে সেলিম আজাদও রয়েছেন।
এদিকে, মাদকবিরোধী পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে পুরান ঢাকার বংশালের নবাবপুর এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ ছয় মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই রাতে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশের অভিযানে চার কেজি গাঁজাসহ ধরা পড়েন আরও দুই মাদক কারবারি।
পুলিশ জানিয়েছে, বংশাল ও উত্তরায় গ্রেপ্তার হওয়া ওই আটজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আলাদা মামলা দায়ের করা হয়েছে।






