শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, যদি কেউ প্রশ্নপত্র ফাঁস করে এবং এর সাথে জড়িত থাকে তাহলে এমন কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে যে, সারা জীবন মনে রাখবে। এছাড়াও মিথ্যা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অপপ্রচারকারীদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অপপ্রচার চালিয়ে ভাইরাল করে লেখাপড়াকে তারা ধ্বংস করবে, আমরা তা দেখে বসে থাকব না।
শুক্রবার বিকেলে দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কেন্দ্রীয় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমরা কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি যদি কেউ প্রশ্নপত্র ফাঁস করে বা তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা সম্পৃক্ততা থাকে তার বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে যা সারা জীবনের জন্য মনে থাকবে।’
মন্ত্রী মিডিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘গত এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আউট হয়েছে এই ধরনের খবর মিডিয়া ফলাও করে প্রকাশ করেছে। আমার কথা বাদ দিয়ে অন্যভাবে নিউজটি করেছিল।’
মন্ত্রী বলেন, ‘মিডিয়াতে যদি কেউ বলে প্রশ্নপত্র আউট হয়েছে তাকে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ গ্রেফতার করে কাস্টডিতে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারে। এভাবে মিথ্যা, অপপ্রচার চালিয়ে লেখাপড়াকে ধ্বংস করবে ভাইরাল করবে এটা মেনে নেওয়া হবে না।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজের সন্তানকে তার প্রতিষ্ঠানে পড়াতে সাহস পান না। তিনি প্রতিষ্ঠান প্রধান হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। বিগত দিন ভুলে, এখন থেকে আপনার সন্তানকে নিজ প্রতিষ্ঠানে পড়াবেন।’
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান দেশে একটি সুন্দর সুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠুক, নৈতিকতা এবং আদর্শিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠুক। বর্তমান সরকার সেই দিকেই যাচ্ছে। বর্তমান সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আমূল পরিবর্তন করতে হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, গুরুত্ব দিয়েছেন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবচেয়ে বেশি বাজেটে বরাদ্দ দিয়েছেন শিক্ষা ব্যবস্থায়।’
সভায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরীক্ষাকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়।
এইচ.এস.সি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান ইলিয়াস আহমেদ, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।






