জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষ উপলক্ষে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৮ জুলাই ‘জুলাই জাগরণ ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ পালন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি, জুলাই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার আহ্বানসহ দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ বলেন, জুলাই কেবল একটি মাসের স্মৃতি নয়; এটি অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক দ্রোহ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার চলমান অঙ্গীকার। জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ, আহতদের ত্যাগ এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে দ্বিতীয় বর্ষে এ কর্মসূচিগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।
সংগঠনটি ঘোষণা দেয়, আগামী ১৮ জুলাই ‘জুলাই জাগরণ ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঢাকাসহ দেশের সব ক্যাম্পাস এবং জেলা-উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।
একইসঙ্গে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণে জুলাই জাদুঘর চালু করা।
এ ছাড়া সাত দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আহতদের সঙ্গে মতবিনিময়, জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে পদযাত্রা, দ্রোহ ও জাগরণের জুলাই স্মরণে সংলাপ ও দোয়া মাহফিল, শরিয়াহ অনুমোদিত গ্রাফিতি অঙ্কন ও দেয়াল লিখন, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম নিয়ে দেশব্যাপী জুলাই ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি আরও জানায়, জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে দেশব্যাপী এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।






