ঢাকা   শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

‘আমরা খামেনির রক্তের প্রতিশোধ নেব’, শোকাহত লাখো ইরানির হুঙ্কার

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম

‘আমরা খামেনির রক্তের প্রতিশোধ নেব’, শোকাহত লাখো ইরানির হুঙ্কার

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শোক আর প্রতিশোধের আহ্বানে মুখর হয়ে উঠেছে। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা অনেকেই প্রতিশোধের তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। খবর সিএনএনের।

৪০ বছর বয়সী আরশ রাহিমি যেমন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমরা নিশ্চিতভাবেই তার রক্তের প্রতিশোধ নেব। এখানে সবাই এসেছেন তাদের সর্বোচ্চ নেতার রক্তের প্রতিশোধ নিতে। আমাদের নেতা যেমনটা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের রক্তের শত্রুতা রয়েছে। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনোই ভালো হবে না।’

হামাদান প্রদেশ থেকে খামেনির শোক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তেহরানে আসা হামিদ তিমোরি তার বর্তমান অনুভূতিকে নিজের বাবার মৃত্যুশোকের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বলেছেন, ‘আমার কেমন যেন এক অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে। আমার বাবা যখন মারা গিয়েছিলেন, তখনও আমি এতটা কাঁদিনি, যতটা কেঁদেছি সর্বোচ্চ নেতা শহিদ হওয়ার পর।’

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানী তেহরানের ইমামে খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খামেনি এবং মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিন জনসমক্ষে আনা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, কাচে ঘেরা একটি বিশেষ কফিনে রাখা হয়েছে খামেনির লাশ। পাশেই রাখা হয়েছে তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও। এ সময় হাজারো শোকাহত মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এবং শেষবারের মতো তাদের নেতাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

এদিন ভোর থেকেই গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্স এবং আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই পুরো প্রাঙ্গণ শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে যায়। অনেককে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাতে দেখা গেছে। তেহরানের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনেও সকাল থেকে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করেন হাজারো মানুষ।

অনুষ্ঠানস্থলে বহু শোকাহত লাল পতাকা বহন করেন, যা ইরানে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। তাদের অনেককে ‘আমেরিকার মৃত্যু’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আগ্রাসনের প্রথম দিন নিহত হন ৮৬ বছর বয়সি খামেনি। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। ওই সময় তিনি তেহরানে তার আবাসিক ভবনে ছিলেন।

গত মার্চে খামেনির দাফন হওয়ার কথা ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে তীব্র সংঘাতের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। যুদ্ধবিরতির অবসরে চার মাস পর রাষ্ট্রীয়ভাবে তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন