ঢাকা   রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ভিসা ব্যবস্থাপনায় জালিয়াতির অভিযোগ ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে, জবাব মিলেনি এখনও

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম

ভিসা ব্যবস্থাপনায় জালিয়াতির অভিযোগ ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে, জবাব মিলেনি এখনও

ভারতীয় ভিসার অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে লিখিত প্রশ্ন পাঠিয়েছে ‘বার্তা বাজার’। হাইকমিশনের ভিসাহেল্প ডেস্ক এবং সাধারণ ইমেইল, দুটি ঠিকানাতেই এই চিঠি পাঠানো হয়। সম্প্রতি পাঠানো এই চিঠির এখনো কোনো জবাব এখনও দেওয়া হয়নি।

শুরুতেই স্পষ্ট করা দরকার, এই প্রতিবেদনে যা তুলে ধরা হচ্ছে তা ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ। হাইকমিশনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা এই প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সপ্তাহে মাত্র একদিন কয়েক ঘণ্টার জন্য ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের স্লট খোলা হয়। ঠিক সেই সময়েই সাধারণ আবেদনকারীরা একের পর এক প্রযুক্তিগত সমস্যায় পড়েন। সার্ভার ব্যস্ত দেখায়, ওটিপি মোবাইলে বা ইমেইলে আসে না, নেক্সট বাটন কাজ করে না, আবার পেমেন্ট করলেও তা অন্য আবেদনকারীর হিসাবে চলে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই অনুসন্ধানে দশ থেকে পনেরোটি ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে সরাসরি কথা বলা হয়। তাদের কেউই কোনো নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবহারের কথা স্বীকার করেনি। তারা জানায়, আবেদনকারীর পাসপোর্ট তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে ফরমটি একটি অজ্ঞাত পক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যাদের পরিচয় এজেন্সিগুলোও জানে না। এজেন্সিগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, মোবাইল নম্বরের জায়গায় তারা বাজার থেকে কেনা নিবন্ধনহীন সিম ব্যবহার করে, যা সক্রিয় না করেই একাধিক আবেদনে ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের সিমে কল করা না গেলেও এসএমএস আসে বলে তারা জানায়। ওটিপি এলে সেটি আবার ওই অজ্ঞাত পক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে এজেন্সিগুলো নিশ্চিত করেছে।এই পদ্ধতিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে আবেদনকারীদের কাছ থেকে দশ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অথচ সরকারি নিয়মে ভিসা সার্ভিস চার্জ মাত্র পনেরোশ টাকা। নিজে থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে না পেরে বাধ্য হয়ে সাধারণ আবেদনকারীরা এই এজেন্সিগুলোর দ্বারস্থ হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

বার্তা বাজারের চিঠিতে হাইকমিশনের কাছে সরাসরি জানতে চাওয়া হয়েছে, অ্যাপয়েন্টমেন্ট সার্ভার ও ডেটাবেজে কাদের প্রবেশাধিকার আছে এবং গত ১ জুলাই আইভ্যাকের প্রতারণা সংক্রান্ত সতর্কবার্তার পর সেই প্রবেশাধিকার পর্যালোচনা করা হয়েছে কিনা। সপ্তাহে একদিনের বদলে চব্বিশ ঘণ্টা বুকিং সুবিধা কেন চালু করা হচ্ছে না, সে প্রশ্নও রাখা হয়েছে চিঠিতে।

গত ১ জুলাই আইভ্যাক নিজেই এক বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করার নামে অর্থ আদায়ের প্রতারণা নিয়ে জনসাধারণকে সতর্ক করেছিল। একই সঙ্গে আবেদনকারীর নিজে সময় বেছে নেওয়ার সুযোগও তখন তুলে নেওয়া হয়েছিল।

এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত অভিযোগগুলো আবেদনকারী ও ট্রাভেল এজেন্সির বক্তব্যের ভিত্তিতে তৈরি। বার্তা বাজারের পাঠানো নির্দিষ্ট প্রশ্নগুলোর বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। হাইকমিশন থেকে জবাব এলে তা যথাসময়ে জানানো হবে।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন