গোলের পর গোল করলেন মেসি, মায়ামির বড় ব্যবধানে জয়লাভ
স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের পর ইন্টার মায়ামিতে ফেরার দ্বিতীয় ম্যাচেই গোলের রেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। লিগস কাপের ইতিহাসে তিনি এখন সর্বোচ্চ গোলদাতা। তার জোড়া গোলে ভর করে অ্যাতলেটিকো দে সান লুইসের বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানে জিতল ইন্টার মায়ামি।
আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরে মায়ামির নু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি বৃষ্টির বাধায় বন্ধ ছিল দ্বিতীয়ার্ধের ২৫ মিনিটের পর। আবারও খেলা মাঠে গড়ানোর আগেই স্কোরলাইন ছিল ৪-২। শেষপর্যন্ত তাতে আর পরিবর্তন আসেনি। প্রথমার্ধেই মেসি-ক্যাসেমিরোর দল ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। তাদের পক্ষে মেসি জোড়া, তেলাসকো সেগোভিয়া ও মিকায়েল দোস সান্তোস একটি করে গোল করেন।
ম্যাচের ১১তম মিনিটে প্রথম গোলটি করেন মেসি। এর আগে অবশ্য ডেভিড রদ্রিগেজের গোলে ৪ মিনিটেই লিগা এমএক্সের দল অ্যাতলেটিকো দে সান লুইস এগিয়ে গিয়েছিল। এরপর বাঁ প্রান্ত থেকে নোয়া অ্যালেনের পাস পেয়ে গোলমুখের সামনে থেকে সরাসরি শটে সমতা ফেরান মেসি। যা বিশ্বকাপের পর ফিরে ৩৯ বছর বয়সী তারকার প্রথম গোলে।
২৬ মিনিটে সেগোভিয়া গোল করে ইন্টার মায়ামিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের ৪৪তম মিনিটে আবারও অ্যালেনের বাঁ দিক থেকে দেওয়া পাস পেয়ে জালের মাঝামাঝি অবস্থানে বল নিয়ন্ত্রণ করেন মেসি। এবার কয়েক কদম এগিয়ে গিয়ে শট নিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। লিগস কাপে এটি তার ১৪তম গোল, যা তাকে প্রতিযোগিতাটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসিয়েছে।
শুধু গোলই নয়, প্রথমার্ধে ইন্টার মায়ামির চতুর্থ গোলেও অবদান রাখেন মেসি। তার নেওয়া কর্নার থেকে হেডে গোল করেন মিকায়েল, ফলে প্রথমার্ধ শেষে মায়ামি ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। লিগস কাপে মেসির রেকর্ডটি হলো ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরপরই। শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা এবার ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়। নকআউট পর্বে তারা ইংল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, মিশর ও কেপ ভার্দেকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে।
বিশ্বকাপে মোট ২১ গোল করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন মেসি, যার মধ্যে এবারের আসরে ছিল ৮ গোল। পরে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ১০ গোল করে ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপে মোট ২২ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন এবং টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জেতেন।
বিশ্বকাপের পর ইন্টার মায়ামির হয়ে মেসির প্রথম ম্যাচ ছিল গত ১ আগস্ট এমএলএসে কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে। সেই ম্যাচে তিনি বদলি হিসেবে নেমেছিলেন এবং ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়।






