বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এই শিক্ষার্থী এর আগে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য এই ছাত্রনেতা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
২০২২ সালের ২৪ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের হামলায় গুরুতর আহত হন আফসান। ওই ঘটনায় তার মাথা ফেটে যায় এবং ১৭টি সেলাই দিতে হয়। একই ঘটনায় তার পায়ের লিগামেন্টও ছিঁড়ে যায় বলে জানা গেছে। এরপর ২০২৩ সালে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন প্রবেশমুখে বিএনপির ঘোষিত অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি। পরে দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন এই ছাত্রনেতা।
২৮ অক্টোবরের পর বিএনপির ঘোষিত হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতেও সক্রিয় ছিলেন আফসান। ঢাকা মহানগর উত্তর ও পশ্চিম এলাকায় ছাত্রদলের কর্মসূচি সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার নেতৃত্বে মহানগর উত্তর ও পশ্চিম ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন অবরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া। শাহবাগ, বাংলামোটর, সায়েন্সল্যাব, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কাজ করেন।
৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইতিবাচক ছাত্ররাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। সংশ্লিষ্টদের দাবি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসব উদ্যোগ ইতিবাচক সাড়া ও প্রশংসা পেয়েছে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়ার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে সংগঠনটির নেতারা মনে করেন।






