ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

আশ্বাস ছাড়া কিছু মেলেনি, নদীর পেটেই গেল ভোরের পাখি বিদ্যালয়

Authorস্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪২ পিএম

আশ্বাস ছাড়া কিছু মেলেনি, নদীর পেটেই গেল ভোরের পাখি বিদ্যালয়

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একাধিকবার পরিদর্শন ও আশ্বাসের পরও নদীভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করা গেল না। ভাঙন তীব্র হওয়ায় বিদ্যালয়ের আসবাব ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়টি চরবাসীর একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নদীভাঙনে আশপাশের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যালয়টি রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন তাঁরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে বাস্তবে বিদ্যালয়টি রক্ষায় দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সর্বশেষ ৮ আগস্ট পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। এতে বিদ্যালয়টি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের আশা করেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু সেই আশাও শেষ পর্যন্ত হতাশায় পরিণত হয়েছে। নদীভাঙন থেকে বিদ্যালয়টি রক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায় এখন এটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কাপাসিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘টিও, এটিও, ইউএনও, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ডিসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। নতুন করে যেন আর কোনো ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তাঁরা। বিশেষ করে চরবাসীর একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ পর্যন্ত বিদ্যালয়টি রক্ষায় দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিলে আজকের এই করুণ দৃশ্য দেখতে হতো না। এর দায় কেউ এড়াতে পারবেন না।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘নতুন করে আবারও ভাঙন শুরু হয়েছে। বিষয়টি শুনেছি। প্রতিষ্ঠানটি অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পাওয়া মাত্র ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আশা করি, ঘণ্টাখানেকের মধ্যে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হবে।’

বার্তা বাজার/এআর

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন