ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

বিয়ের ক্ষেত্রে কত বছর হওয়া উচিত স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান?

Authorনিউজ রুম

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩১ পিএম

বিয়ের ক্ষেত্রে কত বছর হওয়া উচিত স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান?

বিয়ের ক্ষেত্রে কত বছর হওয়া উচিত স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান?

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য কত হওয়া উচিত, তা নিয়ে কোনো ধরাবাঁধা বা সার্বজনীন নিয়ম নেই। একেক দম্পতির ক্ষেত্রে সমীকরণ একেক রকমভাবে কাজ করে। কেউ সমবয়সী বা কাছাকাছি বয়সের সঙ্গীর সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ বছরের ব্যবধানেও চমৎকার ও সফল দাম্পত্য জীবন গড়ে ওঠে। বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, বয়সের ব্যবধান কম হলে চিন্তাভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনযাত্রায় সাদৃশ্য বেশি থাকে; তবে মূল ভিত্তিটি সবসময় পারস্পরিক সম্মান ও মানসিক পরিপক্বতার ওপরই দাঁড়িয়ে থাকে।

বিভিন্ন বয়সের ব্যবধানে সম্পর্কের ধরন

৫ থেকে ৭ বছরের ব্যবধান

অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এই ব্যবধান থাকলে পরিপক্বতা ও বোঝাপড়ার মধ্যে ভালো একটি ভারসাম্য তৈরি হয়। সাধারণত এমন সম্পর্কে অযৌক্তিক মতবিরোধ তুলনামূলক কম দেখা যায়। তবে এটি কোনো সার্বজনীন সূত্র নয় এবং সবার জন্য সমানভাবে নাও মিলতে পারে।

১০ বছরের ব্যবধান

দুজনের মূল্যবোধ, জীবনের লক্ষ্য এবং মানসিক প্রত্যাশা এক হলে ১০ বছরের ফারাকও কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। তবে এই ব্যবধানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যাতে কোনো একপক্ষের একক আধিপত্য তৈরি না হয় এবং সম্পর্কে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

২০ বছর বা তার বেশি ব্যবধান

বয়সের বড় ব্যবধান থাকলে জীবনের পর্যায়, ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার ও সন্তান পরিকল্পনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গির ফারাক তুলনামূলক বেশি হতে পারে। তবে গভীর বোঝাপড়া ও সমঝোতার মাধ্যমে এমন অনেক সম্পর্কেও সফলতার বহু নজির রয়েছে।

বয়সের চেয়ে যা বেশি গুরুত্বপূর্ণ

সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়িত্ব বা গভীরতা কেবল একটি সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। বয়সের ব্যবধান ৫-৭ বছর থাকা সত্ত্বেও বহু দম্পতিকে সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের শরণাপন্ন হতে দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সফল দাম্পত্যের মূল চাবিকাঠি হলো—

পারস্পরিক সম্মান ও বিশ্বাস: একে অপরকে ব্যক্তিত্ব হিসেবে মূল্যায়ন করা।

খোলামেলা যোগাযোগ: মনের কথা নির্দ্বিধায় প্রকাশ ও সহমর্মিতার সঙ্গে শোনার অভ্যাস।

মানসিক পরিপক্বতা ও পাশে থাকা: জীবনের কঠিন ও প্রতিকূল সময়ে পরস্পরের প্রতি অবিচল সমর্থন বজায় রাখা।

জীবনের লক্ষ্য ও অগ্রাধিকারের মিল: ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও মূল্যবোধের সামঞ্জস্য।

বয়স যা-ই হোক না কেন, দুটি মানুষের মানসিক নৈকট্য, যৌথ দায়িত্ববোধ এবং একে অপরের প্রতি নিঃশর্ত শ্রদ্ধাবোধই একটি সফল ও সুখী দাম্পত্যের প্রধান ভিত্তি।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন