জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গৌরবের বিষয় হলেও এই পদে থেকে কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা কেবল বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তহবিল আনা বা কাজ করার সুযোগ কম বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সংসদে ঢাকা-১৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মীর আহমাদ বীন কাশেমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মীর আহমাদ বীন কাশেমে তার প্রশ্নে জানতে চান, জাতিসংঘের প্রেসিডেন্সি পদ অর্জনের ফলে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হবে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই পদের মাধ্যমে দেশের জন্য কোনো বিশেষ তহবিল আনার উদ্যোগ গ্রহণ করছেন কী না।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র আছে। স্পিকার যেমন সংসদের সব সদস্যের স্পিকার, তেমনি আমিও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করবো। এখানে কোনো বিশেষ দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ কম।’
তিনি সংসদ সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ তখনই গর্বের ও যোগ্যতার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করতে পারবে, যখন আমরা সবার জন্য কাজ করবো।’
এই পদ অর্জনের পেছনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন আমাকে এই পদের জন্য মনোনয়ন দিলেন, তখন এশিয়া থেকে এটিই ছিল প্রথমবার। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রচারণার জন্য অন্যরা ১০ বছর সময় পেয়েছিলেন, আর আমরা পেয়েছিলাম মাত্র ১০ সপ্তাহ। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম, আপনি আমাকে একটি ইম্পসিবল মিশনে পাঠিয়েছেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেছিলেন আমরা পারবো এবং তাঁর যোগ্য নেতৃত্বেই আমরা এই অসাধ্য সাধন করতে পেরেছি।’






