আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু আজ শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বললেন, দেড়শ টাকার লাঞ্চের গল্প আর ৫০ হাজার ফ্যামিলি কার্ড ছাড়া গত ছয় মাসে বিএনপি সরকারের বলার মতো আর কোনো সাফল্য নেই।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ৩১ দফার স্বপ্ন দেখানো ও জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের অঙ্গীকারকারী দলের কার্যক্রমে ইতোমধ্যে মানুষ হতাশ হতে শুরু করেছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যারা গণভোটের রায় মানে না, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়াবে না বলে ওয়াদার বরখেলাপ করে দাম বাড়ায় এবং দলীয়করণ করবে না বলে ব্যাপকভাবে দলীয়করণ করে, জনগণ কীভাবে তাদের বিশ্বাস করবে?
তিনি বলেন, বিএনপিকে ভোট দিয়ে মানুষ এখন আফসোস করছে। অসহনীয় লোডশেডিং ও ভৌতিক বিদ্যুৎ বিলের কারণে রাগে ক্ষোভে মানুষ অশ্লীল গালি গালাজ করতেও দ্বিধা করছে না। মঞ্জু জনরায়ের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর পুরোনো রাজনীতি ও গালিগালাজের সংস্কৃতি দুটোই পরিহার করার আহ্বান জানান।
এদিকে, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চে কোনো বাধা এলে তা মোকাবিলা করেই গন্তব্যে পৌঁছানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সমাবেশে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, এ লংমার্চ আপামর জনতার। সরকার যদি লংমার্চে বাধা দেয়, তাহলে সব বাধা উপেক্ষা করে চট্টগ্রামে পৌঁছানো হবে এবং ১১ দলের ছয় দফা দাবি এক দফায় রূপ নেবে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ক্ষমতার মসনদে বসে যদি জাতিকে ভুল পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করে, তাহলে টেনে নামাতে আমাদের হাত এক চুলও কাঁপবে না।
উল্লেখ্য, সমাবেশ শেষে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে লংমার্চটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে। পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা করার কথা রয়েছে।






