ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ছয়তলা ভবন ধসে নিহত হয়েছে অন্তত ৬ জন। গুরুতর আহত ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো আটকা পড়ে আছেন অনেকে। এ ঘটনায় দিল্লির পৌরভবনে ভাঙচুর চালায় বেশকিছু শিক্ষার্থী। ৫০ বছরের জরাজীর্ণ ভবনটি মূলত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভাড়া থাকতো। ধসে পড়ার সময় ভবনের নিচতলায় নির্মাণকাজ চলছিল। এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে একটি ছয়তলা ভবন ধসে পড়ে। ভবনটিতে মূলত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভাড়া থাকতেন। রোববার ছুটির দিন হওয়ায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ঘটনার সময় ভবনেই অবস্থান করছিলেন।
এরই মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধসে পড়ার সময় ভবনটিতে ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ছিলো। কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও, এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকে আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ৭৫ শয্যার হোস্টেল ডেজ নামের ভবনটিতে কক্ষ ছিলো ৩০টি। ধসে পড়ার সময় ভবনটির নিচতলায় নির্মাণকাজ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দুর্ঘটনার পেছনে এটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। খবর পেয়ে স্থানীয়দের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে খালি করা হয়েছে আশপাশের ভবনগুলো।
ভবন ধসে হতাহতের ঘটনায় শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেন, ‘প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।’ ঘটনাস্থলে এসেছেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অনিল শর্মাও।ভবনটি প্রায় ৫০ বছরের পুরনো জরাজীর্ণ কাঠামোর উপর দাঁড়িয়েছিল। অযত্ন, অবহেলা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেকটা নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল ইটের তৈরি এ ভবন। দুর্ঘটনার পেছনে বিজেপি সরকারের দুর্নীতিকে দায়ী করছে আম আদমি পার্টি।






