পূর্ব চীন সাগরে চীনের গোয়েন্দা বিমান উড্ডয়নের পর টানা চার দিন সে এলাকায় সামরিক যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে নজরদারি চালিয়েছে জাপান। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাপানের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
টোকিওভিত্তিক কিয়োদো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের জয়েন্ট স্টাফের তথ্য অনুযায়ী, চীন বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত ওয়াই-৯ সামরিক বিমান নিয়ে জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপের পশ্চিমে দানজো দ্বীপপুঞ্জের কাছে এবং পূর্ব চীন সাগরে ওকিনাওয়া দ্বীপের কাছে উড়েছে।
চীনা বিমানগুলোর গতিবিধির পরিপ্রেক্ষিতে জাপান আত্মরক্ষী বাহিনীর যুদ্ধবিমান আকাশে মোতায়েন করে। তবে টোকিও জানিয়েছে, এ ঘটনায় জাপানের আকাশসীমা লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে চীনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। জাপান ও চীনের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই নতুন করে এ ঘটনা ঘটল।
এদিকে সোমবার জাপানের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ তুলেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাপানকে চীনে থাকা তাদের পরিত্যক্ত রাসায়নিক অস্ত্র পুরোপুরি ধ্বংস করার দায়িত্ব দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, জাপানকে তার দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা গুরুত্বের সঙ্গে পালন করে চীনে ফেলে যাওয়া সব রাসায়নিক অস্ত্র সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে হবে।
নিষিদ্ধ রাসায়নিক অস্ত্রবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রহিবিশন অব কেমিক্যাল উইপনস’ (ওপিসিডব্লিউ) এবং ১২টি দেশের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকদের চীন সফর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মাও নিং জানান, সফরের সময় প্রতিনিধিরা চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জিলিন প্রদেশের হুনচুন, দুনহুয়া ও হারবালিং এলাকা পরিদর্শন করেন।
তার দাবি, এই সফরের মাধ্যমে জাপানের পরিত্যক্ত রাসায়নিক অস্ত্র চীনের মানুষের জীবন ও সম্পদের পাশাপাশি পরিবেশের ওপর যে গুরুতর ক্ষতি করেছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিনিধিরা আরও গভীর ধারণা পেয়েছেন।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি






