বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালীতে সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়ের পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ‘দ্রুত ও বড় ধরনের’ পতন হবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, বিজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের পাম্পে প্রতি গ্যালন জ্বালানি তেলের দাম নেমে আসবে ৩ ডলারে। পরে তা আরও কমে ২ ডলারের নিচে চলে যেতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্পের ভাষ্য, তেলের দামে এই পতন খুব দ্রুতই দেখা যাবে।
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেওয়া ওই বক্তব্যে তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ইরান ‘কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র’ অর্জন করতে পারবে না।
এদিকে, হরমুজ প্রণালীতে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে।
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৭ ডলারে ওঠে। গত পাঁচ দিনে তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। আর গত এক মাসে বেড়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ।
সোমবারের বাজারদর ২৪ জুলাইয়ের সর্বোচ্চ দামের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ওই দিন ব্রেন্ট তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৭ দশমিক ৯৩ ডলারের ওপরে উঠেছিল।






