ঢাকা   সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Logorb
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান

ফুটপাতেই ঘুমাতেন মিঠুন চক্রবর্তী, নাচতেন এক মুঠো খাবারের জন্য

Authorরেডিও বার্তা অনলাইন

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম

ফুটপাতেই ঘুমাতেন মিঠুন চক্রবর্তী, নাচতেন এক মুঠো খাবারের জন্য

ফুটপাতেই ঘুমাতেন মিঠুন চক্রবর্তী, নাচতেন এক মুঠো খাবারের জন্য

বিনোদন ডেস্ক : বলিউডের পরিচিত মুখ মিঠুন চক্রবর্তীর ক্যারিয়ার আজ সাফল্যে ভরা। চার দশকের বেশি সময়ের অভিনয়জীবনে তিনি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ পেয়েছেন একাধিক সম্মাননা।

তবে এই জায়গায় পৌঁছানোর পথ মোটেও সহজ ছিল না। অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে খাবারের জন্য পার্টিতে নাচতে হয়েছে তাকে, এমনকি কখনো কখনো ফুটপাতেও রাত কাটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই অভিনেতা। হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

সম্প্রতি ফারাহ খানের ইউটিউব ভ্লগে অতিথি হয়ে নিজের জীবনের শুরুর দিনের নানা কথা বলেন মিঠুন। সেখানেই উঠে আসে তার কঠিন সময়ের গল্প।

ফারাহ খান জানান, তার চাচা কে কে শুক্লা চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লিখতেন এবং সেই সূত্রে মিঠুনের পরিবারের সঙ্গে তাদের পরিচয় ছিল। ফারাহর ভাষ্য অনুযায়ী, মিঠুনের বাবা বিভিন্ন পার্টিতে নাচতেন, বিনিময়ে পারিশ্রমিক না নিয়ে খাবার নিয়ে বাড়ি ফিরতেন।

ফারাহ বলেন, তখন মিঠুনকে পার্টিতে ডেকে নেওয়া হতো কারণ তিনি ভালো নাচতে পারতেন।

নাচের বিনিময়ে কোনো টাকা নিতেন না, শুধু রাতে খাওয়ার সুযোগ পেতেন। ফারাহর মতে, অনেকে সহজেই নিজের জীবনের কঠিন সময়কে ‘সংগ্রাম’ বলেন, কিন্তু মিঠুনের সেই সময়ের অভিজ্ঞতা ছিল তার চেয়েও কঠিন।

এরপর নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে মিঠুন বলেন, তার সংগ্রাম ছিল ‘সংগ্রামেরও বাইরে’। তিনি জানান, জীবনের কঠিন সময়ে তাকে রাস্তায় ও ফুটপাতে ঘুমাতে হয়েছে।

মিঠুন বলেন, কখনো কখনো হাঁটতে হাঁটতে এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়তেন যে ফুটপাতেই ঘুমিয়ে যেতেন।

ঘুম ভাঙার পর নিজেকে ফুটপাতেই দেখতে পেতেন। এমনকি কয়েকবার বাগানেও রাত কাটানোর কথা জানান তিনি।

ফারাহ আরো বলেন, জুনিয়র আর্টিস্ট হিসেবে যাত্রা শুরু করে মিঠুনের মতো বড় তারকায় পরিণত হওয়ার নজির খুব বেশি নেই।

মিঠুন চক্রবর্তীর আসল নাম গৌরাঙ্গ চক্রবর্তী। ১৯৭৬ সালে মৃণাল সেনের ‘মৃগয়া’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয় তার। সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেতার সম্মান পান।

পরবর্তী সময়ে ‘সুরক্ষা’ সিনেমার মাধ্যমে তার জনপ্রিয়তার নতুন অধ্যায় শুরু হয়। আশির দশকে ‘ডিস্কো ড্যান্সার’, ‘ড্যান্স ড্যান্স’, ‘পেয়ার ঝুকতা নেহি’, ‘কসম পয়দা করনে ওয়ালে কি’ ও ‘কমান্ডো’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান।

চার দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে হিন্দি, বাংলা ও বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার ৩৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন মিঠুন। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা ও ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত তিনি।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন এই অভিনেতা। ২০২৪ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মভূষণে সম্মানিত করে। একই বছর ভারতীয় চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারও পান।

তবে তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ঝলমলে সাফল্যের পেছনে যে কঠিন সময় ও অনিশ্চয়তা ছিল, ফারাহ খানের ভ্লগে উঠে আসা সেই গল্পই নতুন করে আলোচনায় এনেছে মিঠুনের জীবনের শুরুর অধ্যায়।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
পরবর্তী সংবাদ আসছে...
লিংক কপি হয়েছে!
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন