ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে থাপ্পড় দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী আলিনূর হলের অবৈধ শিক্ষার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।
শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ২১৭ নম্বর কক্ষে প্রায় ছয় মাস ধরে অবস্থান করলেও তার বৈধ সিট বরাদ্দ নেই বলে জানিয়েছে হল প্রশাসন। হলটির প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সেলিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
আলীনূর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। হল সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সিট বণ্টনের প্রশাসনিক তালিকায় আলীনূরের কোনো বৈধ বরাদ্দ নেই। ২০২৫ সালের নভেম্বরের পর প্রকাশিত হলের কোনো সিট তালিকায় তার নাম পাওয়া যায়নি।
এমনকি সর্বশেষ ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে মেধার ভিত্তিতে প্রথম বর্ষের (২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থীদের যে সিট বরাদ্দ দেয়া হয়, সেই তালিকাতেও আলীনূরের নাম ছিল না। ছাত্রদল কর্মী হওয়ার কারণে তিনি হলে অবৈধ সুবিধা নিয়ে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সেলিম রেজা বলেন, ‘গতকাল আমি অফিসের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শুনেছিলাম, আলিনূর বৈধভাবে হলে অবস্থান করছিল। তারা আমাকে জানিয়েছিল, জাকির স্যারের সময় তার সিট বরাদ্দ ছিল। আমি তাদের কাছে তথ্য চেয়েছিলাম, কিন্তু তখন তারা তথ্য দিতে পারেনি। পরে তথ্য পাওয়ার পর সকালে বোর্ডে এসে দেখি, অবৈধভাবে হলে অবস্থান করা ৩৩ জনের তালিকায় আলিনূরের নাম রয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আলীনূরকে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এর আগে গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলে শিবির নেতাকে ছাত্রদল কর্মীর থাপ্পড় মারার ঘটনা ঘটে। ঘটনার অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী তার কক্ষে আটকা পরেন।






